নিউ ফরাক্কায় রেললাইন মেরামতির কাজ শেষ। ইন্সপেকশন কার ও ফাঁকা মালগাড়ি চালিয়ে ট্রায়াল রান। আজ রাতেই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টায় রেল। আজই উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টায় রেল।
আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের দিক থেকে উত্তরবঙ্গে যাওয়ার আজকের কোনও ট্রেন বাতিল হয়নি।
এই আবহে রেলের তরফে জানানো হয়েছে, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে কাজ। পুনরুদ্ধারের প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের আরও দাবি, এর পাশাপাশি রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, ইঞ্জিনিয়ার এবং কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।
শুক্রবারের পর শনিবার, এখনও স্বাভাবিক হয়নি মালদা-শিলিগুড়ির দিকে যাওয়ার এবং সেদিক থেকে দক্ষিণবঙ্গে আসার ট্রেন পরিষেবা। বিকল্প হিসেবে অনেকেই বাস বেছে নিয়েছেন, কিন্তু সেখানেও যাত্রীদের একাধিক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে দাবি।
সরকারি যে বাস স্ট্যান্ড ধর্মতলায়, বেসিরভাগ সরকারি বাস মালদা পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে। সেখান থেকে প্যাসেঞ্জারদের ব্রেক জার্নি করে, মালদার পর যে গন্তব্য অর্থাৎ, কোচবিহার হোক, বালুরঘাট হোক, উত্তর দিনাজপুর, শিলিগুড়ি হোক, সেখান থেকে যেতে হচ্ছে। টিকিট কাউন্টারের বাইরে লাইন। তাঁরা দূরে যাবেন। যতদূর যাওয়া যায় তার টিকিট কেটে নিচ্ছে। উত্তরবঙ্গ থেকে কেউ কলকাতায় এসেছিলেন চিকিৎসার জন্য়। কেউ বা এসেছিলেন চাকরির পরীক্ষা দিতে। কিন্তু ট্রেন পরিষেবা কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, চরম অসহায় অবস্থা তাঁদের। বাসে ফেরার কথা ভাবছেন অনেকে। কিন্তু বেসরকারি বাসে দ্বিগুণের বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অবস্থায় ব্য়বস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।
উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে আসার ক্ষেত্রেও দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের।
