কলকাতা: গতকাল, অর্থাৎ রবিবার ভোট ঘোষণা হওয়ার পরেই সোমবার আংশিক প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেছে সিপিএম ও বিজেপি। আগামীকাল প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করার কথা তৃণমূলের। আর তার আগেই, নির্বাচন নিয়ে জারি হল একগুচ্ছ নিয়ম! চিফ ইলেকশন অফিসারের তরফ থেকে আজ জানানো হয়েছে, প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে থাকবে একজন করে পর্যবেক্ষক। পর্যবেক্ষকরা কী করছেন, মনিটরিং হবে রিয়েল টাইম। অর্থাৎ, ২৯৪টি কেন্দ্রেই থাকবে একজন করে পর্যবেক্ষক।
এদিন চিফ ইলেকশন অফিসারের তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি দেখে ড্রোনে মনিটরিং করবেন পুলিশ পর্যবেক্ষক। ১ থেকে দেড় কিমি এলাকায় চলবে নজরদারি। পাশাপাশি আজ আরও জানানো হয়েছে, ভোটে এবার রাজ্যে থাকতে পারে প্রায় আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী। ২ দফায় ভোটের জন্য রাজ্যে আসছে বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি, আসতে পারে আরও ২ হাজার কোম্পানি। ধাপে ধাপে আসতে পারে মোট আড়াই হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সব মিলিয়ে ভোটের সময় থাকতে পারে প্রায় আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী।
অন্যদিকে গতকাল ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই বেজে গেল ভোটের দামামা। আর প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই প্রচারে নেমে পড়লেন প্রার্থীরা। ভবানীপুরে শুভেনদু অধিকারীর সমর্থনে দেওয়াল লেখা শুরু করে দেন কর্মীরা। নন্দীগ্রামে হয় বিজেপির মিছিল। সোমবার বামেদের প্রার্থী তালিকা বেরনোর পর প্রচারে নামেন যাদবপুরের সিপিএম প্রার্থী বিকাশ ভট্টাচার্য, দমদম উত্তরের প্রার্থী দীপ্সিতা ধর। অন্যদিকে, মেদিনীপুর থেকে প্রার্থী হওয়ার পর, SUC নেত্রী সুশ্রিতা সোরেনকে নিয়ে উচ্ছ্বাস দেখা যায় কর্মীদের মধ্যে। আলিপুরদুয়ারে আবার বিজেপি প্রার্থীকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালায় ক্ষুব্ধ কর্মী সমর্থকরা।
অন্যদিকে, ফের তারুণ্যে ভরসা রাখল সিপিএম। আজ প্রথম দফায় ১৯২ কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট।মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, দীপ্সিতা ধর, কলতান দাশগুপ্ত, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নদীপ মিত্রদের প্রার্থী করল সিপিএম। যাদবপুর থেকে প্রার্থী করা হল বিকাশ ভট্টাচার্যকে। প্রার্থী করা হয়েছে বাম আমলের দুই মন্ত্রীর ছেলেকেও। ২১-এর পর ছাব্বিশ! ফের একবার তারুণ্যের ওপর ভরসা রাখল বামেরা। গত বিধানসভা নির্বাচনের মতো এবারও প্রার্থী করা হল সিপিএমের তরুণ তুর্কিদের! প্রার্থী করা হল মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, দীপ্সিতা ধর, সায়নদীপ মিত্র, সপ্তর্ষি দেব, কলতান দাশগুপ্ত, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো যুব প্রজন্মকে!
