কলকাতা: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই অনুষ্ঠান করার জন্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী । তিনি এদিন বলেন, 'বাংলাকে ভারত থেকে আলাদা করার ষড়যন্ত্র করা হয়.. এক দেশে দুই বিধান, দুই নিশান হবে না বলেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ।'

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'জীবিত অবস্থাতেই বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলা হয় নাবালিকাকে', বারুইপুরে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ্যে

Continues below advertisement

সোমবারের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য় রাখেন প্রধানমন্ত্রী। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্য়ায়ের আদর্শে শক্তিশালী ভারত গড়ে তোলার কথা শোনা যায় তাঁর মুখে।প্রধানমন্ত্রীর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে এত সুন্দর অনুষ্ঠানের জন্য অভিনন্দন জানাই। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন একটি দর্শন থেকে জন আন্দোলনের পরিণতির প্রেরণা জুগিয়েছে। তিনি ভারতে একটি দার্শনিক আন্দোলনের জন্ম দিয়েছিলেন। দেখুন যেই সময় জনসংঘের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তখন কংগ্রেসের জয়জয়কার ছিল। ঠিক এমন একটা সময়ে অন্য কোনও বিচার বা দর্শনের কোনও স্থানই ছিল না। পা রাখার জায়গাটুকুও পাওয়া কঠিন ছিল। তখন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ওই পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে, একটি নতুন দর্শনের শুরু করার সাহস দেখিয়েছিলেন। এটা শুধুই একটি সংগঠন বানানোর সিদ্ধান্তই ছিল না, একটি রাজনৈতিক দলকে জন্ম দেওয়ার বিষয়ও শুধু ছিল না, এটি গণতন্ত্রে দার্শনিক বিবিধতা, রাষ্ট্রীয় ভাবনা এবং গণঅংশীদারীত্বের উপর তার অটুট বিশ্বাসের অভিব্যাক্তি ছিল।’ 

মূলত, জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে শহরে আসেন অমিত শাহ। ইকো পার্কে করলেন ১২৫ ফুট মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সোমবার শহরে আসেন অমিত শাহ।ইকো পার্কে বসানো হবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ ফুট মূর্তি। তারই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এখানে নামে ফলক বসানো হয়। সকাল থেকে যজ্ঞ। ৫টি ইট রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী  শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, আগে তাঁর নীতি-আদর্শ মেনে চলতে পারতাম না। এবার পারব।ইকোপার্ক থেকে বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান অমিত শাহ।মালা দেন মূর্তিতে।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি  শমীক ভট্টাচার্য বলেন, যিনি এই মূর্তিটি বসিয়েছেন, তাঁর নাম না বললেই নয়, তিনি প্রয়াত হয়েছেন, হাওড়ার রাখাল দাস। এই মূর্তি এখানে লাগানোর জন্য প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। শ্রদ্ধেয় প্রয়াত তপন শিকদারের হস্তক্ষেপে সেই উত্তজেনা কমে যায়। আমরা মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করতে পারি।