হিন্দোল দে, আবির দত্ত, কলকাতা: বেহালার সরশুনার ঘটনায় ধৃতদের নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ।  পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া নাবালিকার বাবা-মামা ও এক স্থানীয় বাসিন্দাকে খালি গায়ে, কোমড়ে দড়ি পরিয়ে ঘোরাল পুলিশ।বাবা-ছেলেকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর অভিযোগ উঠেছিল যাঁদের বিরুদ্ধে তাঁদেরকেই খালি গায়ে, কোমড়ে দড়ি পরিয়ে ঘোরাল পুলিশ।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, হলদিরাম প্রভুজির রেস্টুরেন্টে হানা খাদ্য সুরক্ষা দফতরের, VIP রোডের উপর এই দোকান থেকে যা বেরিয়ে এল ..

Continues below advertisement

বেহালার সরশুনার ঘটনায় মঙ্গলবার অভিযুক্তদের এলাকায় নিয়ে গিয়ে করা হল পুনর্নির্মাণ। অভিযোগকারীর বাবা বলেন, আমরা লজ্জায় বাড়ি থেকে বেরোতে পারছি না। আমরা আরও কঠোর শাস্তি চাই। মেয়ের পরিবারের তরফে প্রেমে আপত্তি থাকায় প্রেমিক, তাঁর বাবা ও বন্ধুর উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকার পরিবারের বিরুদ্ধে।সেই ঘটনায় ইতিমধ্য়েই নাবালিকার বাবা-মা ও মামার পুলিশ হেফাজত হয়েছে।তদন্তে নেমে আরও একজন স্থানীয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম শঙ্কর সাউ।পুলিশ সূত্রে দাবি, তিনিই বিবস্ত্র অবস্থায় হাঁটার ভিডিও ভাইরাল করেছেন।মঙ্গলবার নাবালিকার বাবা-মামা সহ, স্থানীয় এই বাসিন্দাকেও নিয়ে আসা হয় পুনর্নির্মাণের জন্য়।খালি গায়ে, কোমড়ে দড়ি পরিয়ে তাঁদের হাঁটানো হয় রাস্তায়। এবিপি আনন্দ : আপনি কি ভিডিওটা করেছিলেন, ভাইরাল করার জন্য? ভিডিওটা কি ভাইরাল করার জন্য...

শঙ্কর সাউ, অভিযুক্তদের ধৃত প্রতিবেশী : আমি কিছু করিনি। 

এবিপি আনন্দ : ভিডিওটা ভাইরাল করল কে? আপনি কি ভিডিওটা ভাইরাল করেছিলেন?

শঙ্কর সাউ, অভিযুক্তদের ধৃত প্রতিবেশী : না না। 

 এবিপি আনন্দ : আপনি কি ঘটনাটা পুরো দেখেছিলেন?

শঙ্কর সাউ, অভিযুক্তদের ধৃত প্রতিবেশী : না, ছিলাম না আমি।  প্রাণ বাঁচাতে মান সম্মান সমস্ত জলাঞ্জলি দিতে হয়েছে।  খেতে হয়েছে বেধড়ক মার। বেহালার সরশুনার ঘটনায় এমনই ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলেছেন অভিযোগকারী তরুণ ও তাঁর বাবা। এখনও সেই রাতের কথা ভাবলেই ভয়ে শিউড়ে উঠছেন তাঁরা।অভিযোগকারী তরুণ বলেন, ওর মা-ওর বাবা-ওর মামা, আর তিন-চারটে বন্ধু মামার। সাতজন। ফোন কেড়ে নিয়েছে। আর আমাদের ধরে রেখে দিয়েছে। ঘরে বন্দি করে দিয়েছে, বেরবো কী করে?  আর বেলাগাম মেরেই যাচ্ছে। ভয় দেখিয়েই যাচ্ছে। বলছে মিডিয়ায় সব ছেড়ে দেব, আর সেরকম কিছু হলে, তোদের পকসো কেসে ফাঁসিয়ে দেব। সারাজীবন কারাবাসে কাটাবি। অভিযোগকারী তরুণের বাবা বলেন, তৃণমূল আমলে সব মস্তান ছিল এরা। সেদিন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা বলবে। প্রশাসনের কাছে এখন কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন অসহায় বাবা এবং ছেলে।