কলকাতা : মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বেআইনি পার্কিং নিয়ে কড়া পুলিশ। হরিশ মুখার্জি রোডে বন্ধ করা হল বেআইনি পার্কিং। SSKM হাসপাতালের কাছে গুরুদ্বারের আশপাশে রয়েছে বেশ কিছু ধাবা ও রেস্তোরাঁ। সেখানে রাত পর্যন্ত প্রতিদিনই ভিড় জমে। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, ধাবা ও রেস্তোরাঁয় আসা সেই সব মানুষদের গাড়ি রাস্তার দু'পাশ জুড়ে যেখানে সেখানে পার্কিং করে রাখা হত। অভিযোগ জানতে পেরেই পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইমতো গতকাল রাতে ভবানীপুর থানার পুলিশ হরিশ মুখার্জি রোডের একদিকে গার্ডরেল দিয়ে দেয় পুলিশ। এখন রাস্তার শুধুমাত্র একদিক জুড়েই গাড়ি পার্কিং করা যাচ্ছে। পাশের শম্ভুনাথ পণ্ডিত স্ট্রিটেও বেআইনি পার্কিংয়ে গাড়ি রাখতে দিচ্ছে না পুলিশ। 

Continues below advertisement

কলকাতায় বেশ কয়েকটি গঙ্গার ঘাট সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। একথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইমতো বাগবাজার ঘাট, আহিরীটোলা ঘাট, শোভাবাজার ঘাট, মল্লিক ঘাট, বাবুঘাট, রামকৃষ্ণপুর ঘাটের সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে। দুর্গাপুজোর আগেই কলকাতার ঘাটগুলির সৌন্দর্যায়নের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রাজ্য সরকার। ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান এবার কলকাতায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই মেগা ইভেন্টের আগে 'স্বচ্ছতা সে স্বাগত' নামে বিশেষ সাফাই অভিযান কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। 

আরও বিপাকে সব্যসাচী, ধৃত তৃণমূল নেতার ৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, উদ্ধার প্রচুর টাকা, বাজেয়াপ্ত গাড়ি 

Continues below advertisement

কেন্দ্রের স্বচ্ছ ভারত অভিযান প্রকল্পের আওতায় কলকাতায় জোরকদমে চলছে গঙ্গার ঘাট সৌন্দর্যায়ন কর্মসূচি। তারই অংশ হিসেবে সাফাই অভিযানে হাত লাগালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। বাগবাজারে মায়ের ঘাটের সিঁড়ি ঝাঁট দিয়ে পরিষ্কার করলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি বাগবাজারে মায়ের ঘাটে ঝাঁট দিলেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। উপস্থিত ছিলেন তথ্য সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। দূষণমুক্ত গঙ্গার ঘাট। এই সঙ্কল্প নিয়ে শুরু হয়েছে কাজ। এদিন বাগবাজারে মায়ের ঘাট সাফাইয়ের আগে প্রথমে বৃক্ষরোপণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘাটের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে গঙ্গার দু'পাড় পরিদর্শন করেন তিনি। ক্রমাগত মিশতে থাকা আবর্জনা, দূষিত জল, পাড়জুড়ে দখলদারি, এসবের থাবা থেকে কলকাতায় গঙ্গাকে যাতে বাঁচানো যায়, তাতের জোর দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। দেশের প্রাণধারা গঙ্গাকে পরিচ্ছন্ন রাখা যে কর্তব্য, এদিন সেকথা শোনা গেছে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে। কেন্দ্রের নমামি গঙ্গে প্রকল্পে বিগত তৃণমূল সরকারের জমানায় রাজ্যে কোনও কাজ হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।