কলকাতা: ঋণের টাকা আদায় করতে গিয়ে স্বরূপনগরে হামলার মুখে পড়লেন বেসরকারি ঋণদানকারী সংস্থার কর্মী। আহত বিশ্বজিৎ মণ্ডলের বাড়ি বসিরহাটের মালঙ্গপাড়া এলাকায়। সূত্রের খবর, গতকাল স্থানীয় শাঁড়াপুল-নির্মাণ এলাকায় ঋণের কিস্তি সংগ্রহ করতে গেলে তাঁর ওপর চড়াও হয় কয়েকজন দুষ্কৃতী। ভারী কিছু দিয়ে মাথায় আঘাত করলে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন বেসরকারি ঋণদানকারী সংস্থার ওই কর্মী। বর্তমানে বসিরহাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আক্রান্ত ব্যক্তি। ঘটনার তদন্তে নেমে ১ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে স্বরূপনগর থানা। বাকিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। ঋণ সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই হামলা, নাকি পিছনে অন্য কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
দিনহাটায় শ্য়ুটআউট
কোচবিহারের দিনহাটায় শ্য়ুটআউট। গুলিবিদ্ধ এক মহিলা। আহতের নাম মর্জিনা বিবি (৫০)। গীতলদহে আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন ওই মহিলা। ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়ির বাইরে থেকে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কে বা কারা গুলি চালিয়েছে তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
SIR-কে কেন্দ্র করে মালদার রতুয়ায় প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল
SIR-কে কেন্দ্র করে মালদার রতুয়ায় প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। রতুয়া ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও তৃণমূল নেতা আমিরউদ্দিনের সঙ্গে রতুয়া ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্য়ক্ষ ও তৃণমূল নেতা শেখ মিনুর বিবাদ প্রকাশ্যে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিসে SIR -এর শুনানি পর্ব তদারকি করতে যান তৃণমূল নেতা আমিরউদ্দিন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ধীর গতিতে শুনানির কাজ চলছিল। এর ফলে হয়রান হতে হচ্ছে অনেককেই। এরই প্রতিবাদ করেন তিনি। ঠিক সেই সময় ঘটনাস্থলে হাজির হন রতুয়া ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধক্ষ্য শেখ মিনু। দুই নেতার মধ্যে শুরু হয় তীব্র বাদানুবাদ। সোশাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই এ নিয়ে কটাক্ষ শানিয়েছে বিজেপি।
সমবায় ভোট ঘিরে ফের তপ্ত শুভেন্দু অধিকারীর গড় নন্দীগ্রাম
সমবায় ভোট ঘিরে ফের তপ্ত শুভেন্দু অধিকারীর গড় নন্দীগ্রাম। আজ ওই এলাকায় অবস্থিত রানিচক সমবায় সমিতির নির্বাচন। তার আগের রাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে স্থানীয় তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের একাংশ। একে অন্যের সঙ্গে কথা কাটাকাটি থেকে ঝামেলা গড়ায় হাতাহাতি ও মারামারিতে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যেতে হয় নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ বাহিনীকে। সূত্রের খবর, তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে ওই সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন শাসক-বিরোধী দুই পক্ষের কয়েকজন।