রানা দাস, কাটোয়া : কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ভয়াবহ আগুন। ২ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের কামরায় বিধ্বংসী আগুন লেগেছিল। দমকলের ২টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। আজ সকাল সাড়ে ৬টায় এই ট্রেনটি ছাড়ার কথা ছিল। আগুন লাগার সময় ট্রেনে কোনও যাত্রী ছিলেন না, তাই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ট্রেনের কামরা। শুরু হয়েছে তদন্ত। কার গাফিলতি রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে। কীভাবে এই আগুন লাগল, এর পিছনে কারও হাত রয়েছে কিনা, কারও কোনও গাফিলতি রয়েছে কিনা- সবই খতিয়ে দেখা হবে তদন্তে।
কাটোয়া থেকে আজিমগঞ্জ যাওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিল ওই ট্রেন। রবিবার সকাল সাড়ে ৪টে নাগাদ আগুন লাগে ওই ট্রেনে। কাটোয়া স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েছিল ওই ট্রেনটি। ভোরের দিকে স্টেশনে যাত্রী সংখ্যা কম ছিল। তাই বড়সড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। ট্রেনের একটি কামরা পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। একেবারে পুড়ে গিয়েছে ট্রেনের কামরার ভিতরে থাকা কাঠের চেয়ার অর্থাৎ বসার জায়গাগুলিও। কীভাবে এই বিধ্বংসী আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার সময় ট্রেনের কামরা কোনও যাত্রী ছিল না। সেই সময় কামরা যাত্রী থাকলে কী সাংঘাতিক কাণ্ড ঘটে যেতে পারত তা ভেবেই শিউরে উঠছেন অগ্নিকাণ্ডের সময় প্ল্যাটফর্মে এবং আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লোকজন।
কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ভয়াবহ আগুন। স্থানীয়দের দাবি, ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ দু নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটির ১টি কামরায় আগুন দেখতে পান তাঁরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে জিআরপি ও দমকলের ২টি ইঞ্জিন। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। যদিও এখনও জানা যায়নি আগুন লাগার আসল কারণ।
আনন্দপুরের নাজিরাবাদে জোড়া গোডাউনে আগুনে
কয়েকদিন আগেই কলকাতার আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে দু'টি গোডাউনে ভয়াবহ আগুন লেগেছিল। একটি ছিল ডেকরেটার্সের গুদাম। অন্যটি একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার গোডাউন ছিল। ডেকরেটার্সের গোডাউন থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার গোডাউনে। বিধ্বংসী এই অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে প্রচুর মানুষের। এতটাই ভয়াবহ আগুন লেগেছিল যে উদ্ধার হয়েছিল ভিতরে আটকে পড়া অসহায় কর্মীদের দেহাংশ। সেগুলির ডিএনএ টেস্ট করে তারপর পরিচয় সুনিশ্চিত করা সম্ভব হয়।