সন্দীপ সরকার, কলকাতা: গতরাতেই রাহুলের দেহ নিয়ে আসা হয়েছে তমলুক মেডিক্যালে। অভিনেতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে, আজই তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত। এবং ময়নাতদন্ত হয়ে যাওয়ার পরেই আজ অভিনেতার মরদেহ নিয়ে আসা হবে কলকাতায়, তার বাসভবনে। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, অভিনেতা রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়ির সামনে BJP প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী পৌঁছতেই তুমুল উত্তেজনা ! "এটা স্লোগান দেওয়ার জায়গা না.."

Continues below advertisement

তমলুক মেডিক্যাল কলেজের যে মর্গ রয়েছে, যে শবদেহবাহী গাড়ি রয়েছে, তা সাজানো হচ্ছে। এই গাড়িতে করেই কলকাতার পথে রওনা হবে, ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পর। পরিবারের তরফে কেউ একজন আসবেন, তিনি এখান থেকে অফিসিয়ালি নিয়ে যাবেন। তার আগে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের আধিকারিকরা তাঁরা এসে পৌঁছেছেন।  এখানে ইউনিটের যারা সহ অভিনেতা রয়েছেন, সহকলাকুশলী রয়েছেন, তাঁদের মধ্যেও এক দুইজন এসে পৌঁছেছেন। ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া চলবে ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগে। অন্যদিকে এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরে, বহু মানুষই হাসপাতাল চত্বরে এসে পৌঁছেছেন। শেষ অবধি পাওয়া খবরে, ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে ময়নাতদন্ত, রাহুলের নিথর দেহ নিয়ে কলকাতার পথে রওনা দিয়েছে শববাহী শকট।

ওড়িশা পুলিশের দাবি, সমুদ্রে নাচের দৃশ্যের শ্যুটিং চলাকালীন চোরাবালিতে ডুবে যান রাহুলদুর্ঘটনার পর রাহুলকে উদ্ধার করে দিঘা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ওড়িশা পুলিশের দাবি, তালসারিতে যে শ্যুটিং চলছিল, তার কোনও অনুমতি ছিল না। দিঘা থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তে পুলিশ। যদিও শ্যুটিং স্টাফরা জানাচ্ছেন, নিয়মমাফিক অনুমতি নিয়ে শ্যুটিং চলছিল।  

পরিচালক রাজ চক্রবর্তী বলেন, প্রথমত, কেউ আমরা ভাবতে পারছি না, মেনে নিতে পারছি না যে রাহুল নেই। রাহুল খুবই ভাল একজন অভিনেতা এবং রাহুলের সঙ্গে আমার প্রথম কাজ 'চিরদিনই তুমি যে আমার'। ২০০৮ সালে, মানে আজ থেকে ১৮ বছর আগে। অভিনেতা হিসেবে খুব ভাল ছিল।' রবিবার সকাল থেকে একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল দিঘা সংলগ্ন ওড়িশার তালসারিতে। আর বিকেলে সেখানেই ঘটে যায় চরম অঘটন। ওড়িশা পুলিশের দাবি, দুপুরে সমুদ্রে নাচের দৃশ্যের শ্যুটিং চলাকালীন চোরাবালিতে ডুবে যান রাহুল। শ্যুটিংয়ের কোনও অনুমতি ছিল না।যদিও শ্যুটিং স্টাফদের দাবি, অনুমতি ছিল। দুর্ঘটনার পর রাহুলকে উদ্ধার করে দিঘা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত বলে ঘোষণা করেন, চিকিৎসক।