সৌভিক মজুমদার, নয়াদিল্লি: ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলা, মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট। নোটিস ইস্যু করল বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী অগাস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে হবে সেই মামলার শুনানি। এখনই কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ নয়, জানালেন বিচারপতি দত্ত। 'যাঁরা আমাদের বাচ্চাদের ভবিষ্যত গড়ছেন, তাঁদের সেই যোগ্যতামান আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে হবে', মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের।
https://youtu.be/0tfewCOm-x8?si=BGShCSMBT8JCs806
৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট , কী বলছেন মাননীয় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ?
সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে এই ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি বাতিল মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। তার পাশাপাশি মাননীয় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেছেন, আপাপত এই পর্যায়ে তিনি কোনওরকম অন্তবর্তী নির্দেশ বা অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিচ্ছেন না। ফলে যারা এই মুহূর্তে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর, যেই অবস্থায় বহাল আছেন, সেই অবস্থাতেই কর্মরত থাকবেন। অগাস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এই মামলার বিচারপক্রিয়া আবারও সংগঠিত হবে।
আদালতের যেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, সেখানে বলা হয়েছে
কিন্তু তার পাশাপাশি যেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, সেখানে বলা হয়েছে, যে শিক্ষকরা বাচ্চাদের ভবিষ্যত গড়ে তুলবেন বা শিক্ষকদের হাতে, বাচ্চাদের ভবিষ্যত এই মুহূর্তে আছে, সেই শিক্ষকরা উপযুক্তভাবে প্রশিক্ষিত কিনা, সেই শিক্ষকদের শিক্ষা প্রদান করার যোগ্যতামান আছে কিনা, সেইটা সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে নির্ধারণ করা হবে।এই বার্তা মাননীয় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত দিয়েছেন। ফলে সবমিলিয়ে এই মামলার শুনানি অগাস্টের তৃতীয় সপ্তাহে হবে। এবং সেই সময় বাকি যে সওয়াল জবাব রয়েছে, সেটা এগিয়ে নিয়ে যাবে।
কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকে তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় দিয়েছিলেন এই নির্দেশ
কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকে তৎকালীন বিচারপতি এবং বর্তমান বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, তিনি এই ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এবং কলকাতা হাইকোর্টে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ , সিঙ্গল বেঞ্চের যে নির্দেশ ছিল, সেই নির্দেশ সে খারিজ করেন। তারপর সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা দায়ের হয়।এবং সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকেই আজকে এই মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।
