কলকাতা: ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টের ৭ সদস্যকে তলব করল বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম শাখা। কড়া প্রতিক্রিয়া জুনিয়ার চিকিৎসকদের। প্রতিবাদ বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ বলেই অভিযোগ তাঁদের। যদিও তা করে আখেরে কোনও লাভ হবে না বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট।


এদিন জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো বলেন, 'ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট, আন্দোলনের ধারাবাহিকতার জায়গা থেকে শুরু হয়েছে। তার আগে আন্দোলন পরিচালনার জন্য, আমরা জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছিলাম। সেই জয়েন্ট অ্যাকাউন্টেরও যাবতীয় যা হিসেব, যাবতীয় যা ডকুমেন্ট, সবই আমাদের কাছে আছে। সেটারও অডিট আনপ্রসেজড।অডিট কমপ্লিট হলে যাবতীয় তথ্য রাখতে পারব। অভিযোগ লিপি যদি দেওয়া হয়, এখনও আমরা পাবলিক ডোমেনে, উত্তর দিতে পারব।'


অনিকেত আরও বলেন,'  এই অভিযোগগুলির কারণ যদি বলেন, এই অভিযোগগুলির কারণ যদি বলেন, তাহলে তো দিনের আলোর মতো পরিস্কার, যে আসফকুল্লা নায়ার, কিঞ্জল নন্দ...শুরুতে আমার বিরুদ্ধে একটা Defamation Case পাঠিয়েছিল। বর্তমানে, ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট, আরজিকর আরডিএ, এবং মেডিক্যাল কলেজে, সামগ্রিকভাবে ৭ জনকে ডেকেছে। তাহলে এটা তো একটা ধারাবাহিকতা পরিষ্কার। এই আন্দোলন মানুষের মধ্যে। যে বিবেক- মনুষত্ব ও মূল্যবোধের জন্ম দিয়েছে। নৈতিকতার জন্ম দিয়েছে।' তলবের ইস্যুতে বলেন,' সেই প্রতিবাদের ধারা যদি কোথাও আটকে দিতে হয়, তাহলে এই আন্দোলনকারীদেরকে কোথাও একটা আটকে দিতে হবে, বলে আমার মনে হয়েছে। অভয়ার বিচারের দাবিতে  ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট, যে ধারাবাহিকতার সাথে লড়াই করছিল, সেই ধারাবাহিকতার সঙ্গে এই লড়াই জারি রাখবে।' 


আরও পড়ুন, বিধ্বংসী আগুন নিভতেই উত্তপ্ত নারকেলডাঙা, মেয়র যেতেই মারামারি, TMC কাউন্সিলেরের বিরুদ্ধে উঠল 'চোর' স্লোগান !


ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টের ৭ সদস্যকে তলব করল বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম শাখা। রাজু ঘোষ নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অনিকেত মাহাতো সহ ৭ জনকে নোটিস পাঠানো হয়। ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টে ৫০০০ হাজার টাকা দিয়ে রশিদ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ অনেক জুনিয়র চিকিৎসক নিজেদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টেও ফান্ডের টাকা নিয়েছেন। এই টাকা কোথায় ব্যবহার হয়েছে জানতে চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। অনিকেত ছাড়া বাকি ৬জন ডিউটিতে থাকার কথা জানিয়ে শনিবার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হননি। অনিকেত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন। তাঁর দাবি, কী অভিযোগ জানায়নি পুলিশ। ফান্ড নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করা হয়েছে তাঁকে।