প্রকাশ সিনহা, কলকাতা: আর জি কর দুর্নীতি মামলায় থমকে গেল ইডি-র বিচার প্রক্রিয়া। ইডি-র তরফে কোর্টে জমা পড়েনি সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে রাজ্যের স্যাংশন লেটার। ফলে, চার্জশিট জমা পড়লেও, চার্জশিট গ্রহণ করতে পারছে না আদালত। ফলে হবে না চার্জ গঠন, শুরু হবে না বিচার প্রক্রিয়া। রাজ্য সরকারের তরফে স্যাংশন লেটার পাওয়া গিয়েছে কি না তা ৮ এপ্রিল কোর্টকে জানাবে ইডি। 

Continues below advertisement

৯০ দিনের মাথায় শুক্রবার নগর দায়রা আদালতে প্রথম চার্জশিট দিয়েছিল ED।  যেখানে নাম ছিল আর জি কর মেডিকেলেরই প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের। আর জি কর মেডিক্যালে দুর্নীতির মামলায়, ED গতবছর অক্টোবরে ECIR করে। টাকার বিনিময়ে ঘনিষ্ঠদের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া, বেআইনি পার্কিংয়ের বরাত, নিয়ম না মেনে ক্যাফেটেরিয়া তৈরির অনুমতি, চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনা-বেচায় দুর্নীতি-সহ একাধিক অভিযোগ ওঠে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। সেই মামলায় শুক্রবার নগর ও দায়রা আদালতের ED স্পেশাল কোর্টে ৬৮ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

আর জি কর মেডিকেলের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-ছাড়াও তাঁর দুই সহযোগী বিপ্লব সিংহ ও সুমন হাজরার নাম রয়েছে। সূত্রের খবর, চার্জশিটে হাজরা মেডিক্যাল সংস্থার নামও রয়েছে, যার মালিক সুমন হাজরা। কীভাবে সরকারি টাকা নয়ছয় করা হয়েছিল? কীভাবে সেই টাকা ব্যাক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল? তা ছত্রে ছত্রে তুলে ধরা হয়েছিল চার্জশিটে।                                        

Continues below advertisement

আর্থিক দুর্নীতিকাণ্ডে ২০২৪-এর ২ সেপ্টেম্বর CBI গ্রেফতার করেছিল সন্দীপ ঘোষকে। এখন তিনি জেলে রয়েছেন। দুর্নীতি মামলাতেই জেলে আছেন হাসপাতালে সরঞ্জাম সরবরাহকারী সংস্থার মালিক বিপ্লব সিংহ ও সুমন হাজরাও।  

এদিকে, আরজি কর মেডিক্য়ালে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। আরজি কর মেডিক্য়ালেরই প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলিকেই এবার অবিলম্বে গ্রেফতারির নির্দেশ দিল আলিপুরের বিশেষ আদালত। অন্যদিকে এদিনই দুর্নীতির মামলায় চার্জশিট জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।