কলকাতা: রাজ্যে প্রায় প্রত্যেকদিনই রাজনৈতিক দলগুলির সমীকরণ বদলাচ্ছে। সংখ্যাটা যে আরও বাড়তে পারে, গতকালই বিশেষ সাক্ষাৎকারে তাৎপর্য ইঙ্গিত দিয়েছেন বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা। আর আজকে ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের পর সেই জল্পনা আরও উসকে গেল। এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, দিল্লিতে ভেঙে চুরমার তৃণমূল, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে কোন ২০ 'বিদ্রোহী' তৃণমূল সাংসদদের বৈঠক ? বড় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হল ?

প্রশ্ন: আজকে আপনারা বলেছিলেন যে ৬০ জন বিধায়ক আপনাদের সঙ্গে আছে, আজকে দেখা গেল, ফিরহাদ হাকিম, নতুন করে আপনাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। আপনাদের কি সংখ্যা বাড়ল ? আর এই বৈঠক নিয়ে কী বলবেন ? 

Continues below advertisement

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়: মাননীয় স্পিকার এখন নেই। আমাদের সংখ্যা যথেষ্ট এখন। সংখ্যা  আরও বাড়বে। ববিদার (ফিরহাদ হাকিম) সঙ্গে আমার বহু পুরনো সম্পর্ক। আমি যে বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিই, সেই বছর ববিদার সঙ্গে আলাপ। ববিদা কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক, ববিদা এসেছিলেন। আর ববিদা অনেকক্ষণ আমাদের ওখানে, …অনেকেই ছিলাম আমরা। আলাদাও কথা হয়েছে। আমরা চাই ববিদা যখনই বিধানসভায় আসবেন, আমাদের সঙ্গে যেনও ববিদার এরকম ইন্টারকশন হতে পারে। স্বাভাবিকভাবে এর বেশি আমি আর কিছু বলছি না।  হ্যাঁ ববিদা আজকে এসেছিলেন, শামিম আহমেদও এসেছিলেন। কিন্তু আজকে কোনও সিগনেচার হয়নি। কেননা মাননীয় স্পিকার, মানে এখন তো আর আলাদা করে সিগনেচার হবে না, আলাদা করে চিঠি দিতে হবে। তো সেটা যখন মাননীয় স্পিকার যখন আসবেন, আরও যারা চিঠি দিতে চান, সেটা আমরা কাল বসে আলোচনা করব।

একে একে অনেক বিশ্বস্তই গেছেন। নিজের দলেই এখন কার্যত বহিরাগত মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। আরও বড় ধাক্কা কি অপেক্ষা করে আছে তাঁর জন্য়? তাঁর আদি অনুগামী। কিচেন ক্য়াবিনেটের সদস্য়। ছায়াসঙ্গী ববি হাকিমও কি এবার তাঁর সঙ্গ ছেড়ে, অন্য় পথে হাঁটতে পারেন? সোমবার যখন দিল্লিতে ইন্ডি জোটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, তখন তাঁর লোকসভার সংসদীয় দলে ভাঙন ধরে গেছে।  আর এদিনই কলকাতায় নিজেদের আসল তৃণমূল বলে উল্লেখ করা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন ফিরহাদ হাকিম।

দিল্লিতে তৃণমূলের সংসদীয় দলে ভাঙন, বিধানসভায় ঋতব্রত-ববি বৈঠক এদিন, বিধানসভায় গিয়ে প্রথমে লবিতে বসেন ফিরহাদ হাকিম। কিছুক্ষণের মধ্যেই ডেপুটি লিডার সন্দীপন সাহা তাঁর হাত ধরে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ঘরে নিয়ে যান। প্রায় একঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে বৈঠক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক শামিম আহমেদ।