কলকাতা: তৃণমূলের গৃহযুদ্ধ দিল্লির নির্বাচন সদনে, ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক 'ঋতব্রত-তৃণমূল'-এর। বৈঠকের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন , "প্রয়োজনীয় সব নথি কমিশনে দিয়েছি। ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয়েছে । পার্টি চার্টার্ড ব্যুরোক্র্যাট হাইজ্যাক করেছিল।পার্টি পারিবারিক হয়ে গিয়েছিল", কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের পর দাবি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবং "অধিকাংশ বিধায়ক তাঁদের", দাবি 'ঋতব্রত-তৃণমূল'-এর সন্দীপন সাহার। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, বিনামূল্যের সরকারি বাসে “অনেক মহিলাই টিকিট কাটতে চান..”, জানতে পেরে এবার কোন সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর ?

Continues below advertisement

আগামী দিনে কি তৃণমূল দলটাই হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের?

তৃণমূলের নাম এবং প্রতীকের আসল দাবিদার কারা? আগামী দিনে কি তৃণমূল দলটাই হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের? তৃণমূলের 'ঘাসফুল' প্রতীকও তাঁর হাত থেকে চলে যেতে পারে? তৃণমূলের তহবিলের রাশ কার হাতে থাকবে? কী বলবে নির্বাচন কমিশন? এবার তৃণমূলের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। 

কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর কী বললেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ?

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টা হচ্ছে ২২ তারিখ যে স্পেশাল সেশ্যান হয়েছিল , অলইণ্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের, যে সেশ্যান থেকে অলইণ্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান হিসেবে, অরূপ রায় এবং গোটা NWC ইলেকটেড হয়। তো এটাই নিয়ম। মানে নিয়ম আছে যা, যে একটা এরকম কোনও ধরণের সেশ্যান হোক। কনফারেন্স হোক। এটা সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। তেইশ তারিখে আমাদের প্রতিনিধি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দেন। এবং চেয়েছিলাম যে ফুল বেঞ্চ যে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করা যায়। তো আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে কৃতজ্ঞ, যে সেই সুযোগ আমাদের দিয়েছেন। ১০ সদস্যকে অ্যালাউ করেছেন। শ্রী অরূপ রায়, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন, আমরা তার নের্তৃত্বে আমরা এসেছিলাম। লম্বা সময় ওনারা ধৈয্য ধরে আমাদের বক্তব্য ওনারা শুনেছেন। এবং শ্রী জ্ঞানেশ কুমার তিনি আমাদের জানিয়েছেন, যে তাঁরা এগুলি দেখে, বলেছেন আপনাদের জানানো হবে তাড়াতাড়ি। আমরা যাযা জানাবার , মানে নিয়ম মেনে, আসলে শিব ঠাকুরের আপন দেশে, আইন কানুন, সর্বনেশে, অনেকে আসলে মনে করছেন যে, মগের মুলুকটা চলছে। তাই যা খুশি বলা যায়, আমরা যা খুশি করিনি। দেশের যে আইনকানুন আছে, সাংবিধানিক প্রভিশন আছে, সবকিছু মেনে, যেভাবে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয়, তেইশে তারিখে জানিয়েছিলাম ।