Samik Bhattacharya: রাজনীতির টানটান উত্তেজনায় প্রতিদিন একটু একটু করে পারদ চড়ছে পশ্চিমবঙ্গে। মার্চের শুরুতেও রাজনীতির উত্তাপ ছুঁয়ে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে। নিশানা, পাল্টা নিশানা - সব মিলিয়ে সরগরম আবহাওয়া চতুর্দিকে। এই আবহে এবার পুলিশ-প্রশাসনের উদ্দেশে বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, অপরিকল্পিতভাবে বিজেপি (BJP) কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। 

Continues below advertisement

আজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "বাংলা ও বাঙালির লজ্জা হল পশ্চিমবঙ্গবাসীকে দেখতে হচ্ছে যে নির্বাচন (Election) ঘোষণার আগে থেকেই বিভিন্ন রাস্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) ঘোরাফেরা করছে। ওরা জানে ক্ষমতা ছাড়তে হবে, ক্ষমতা থেকে চলে যেতে হবে। শেষ মুহূর্তে কেউ টিকিট পাওয়ার কারণে, কেউ নেতাদের নেক নজরে আসার কারণে বিজেপি কর্মীদের ওপরে কিছুটা অপরিকিল্পিতভাবে আক্রমণ চালাচ্ছে।" তৃণমূলকে নিশানা করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) চলে যাচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেস চলে গেছে। ভালো লাগুক বা নাই লাগুক। যারা সরকারি কর্মী আছেন, তাদের কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যে বিজেপির সরকারের সঙ্গে কাজ করতে হবে।" 

রাজনীতির আঁচ তপ্ত রেখেই তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) এর পাল্টা বলেন, "শমীক ভট্টাচার্য যা বলছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ত্রিপুরায় যখন তৃণমূল কংগ্রেস গিয়েছিল, তখন মনে ছিল না যে পরিমাণ হামলা হয়েছে দিনের পর দিন? তখন শমীকবাবু কোথায় ছিলেন? এখানে বিজেপি লাগাতার প্ররোচনা দিচ্ছে। বিজেপি পার্টি অফিসের মধ্যে থেকে ধর্ষণের অভিযোগ আসছে। কোথায় নেমেছে পার্টিটা! নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা। হারের সব অজুহাত তৈরি হচ্ছে।" 

Continues below advertisement

পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচনের আগে এবার 'পরিবর্তন যাত্রা'-র আয়োজন করেছে বিজেপি। যেখানে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্র ও রাজ্য নেতৃত্ব। খড়গপুরে বিজেপির 'পরিবর্তন যাত্রা'-তে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। বসিরহাটে থাকবেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী। আসানসোলে 'পরিবর্তন যাত্রা'-তে থাকবেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা। এছাড়াও কোচবিহারে থাকার কথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন প্রসাদের। রায়গঞ্জে 'পরিবর্তন যাত্রা'-তে যোগ দিতে আসছেন মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী সাবিত্রী ঠাকুর।  

এই 'পরিবর্তন যাত্রা' নিয়েও বাগযুদ্ধে নেমেছে তৃণমূল ও বিজেপি। তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, "এবার মুখোমুখি সংঘর্ষ হবে। সংঘর্ষের জন্য আমরা প্রস্তুত। তৃণমূল কংগ্রেস যদি ঝামেলা করে যাত্রা আটকাতে চায় ইটের জবাব কিন্তু পাটকেলে দেব।" পাল্টা সুর ছড়িয়েছেন তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, " "ঠাকুর ঘরে কে, আমি তো কলা খাইনি-র গল্প।"