ষষ্ঠীর গোটা দিন জুড়েও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকল বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো বলে পরিচিত সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার। সপ্তমীর আগেই সপ্তমে পৌঁছল প্রশাসনের সঙ্গে পুজো কমিটির সংঘাত। রবিবার পুলিশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তোলেন সজল ঘোষ। সেই সঙ্গে আশঙ্কাপ্রকাশ করেন, পুলিশ - প্রশাসনের চাপে, পুজো না বন্ধ করে দিতে হয় ! রাস্তা আটকানো, ব্যারিকেড দিয়ে দর্শনার্থীদের সমস্যায় ফেলা, সরু রাস্তায় ভিড় তৈরি করার দায় সজল চাপিয়েছেন কলকাতা পুলিশের ওপর। সেই সঙ্গে বলেছেন, পুলিশ-প্রশাসন দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে। এদিকে পাল্টা অভিযোগ করেছে পুলিশ।
পুলিশের কী অভিযোগ ?
ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের দাবি, তাঁদের কাছে একাধিক অভিযোগ আসছে। অনেকের বাড়িতে অসুস্থ লোকজন রয়েছেন, অতিরিক্ত শব্দের জন্য তাঁরা সমস্যায় পড়েছেন। ডিসি সেন্ট্রালের বক্তব্য়, কলকাতা পুলিশের অ্য়াম্বুল্য়ান্স যেটি অন্যত্র থাকত, সেটিরবিবার থেকে মুচিপাড়া থানার সামনে রাখতে বলা হয়েছে। তার কারণ, কেউ অসুস্থ বোধ করলে যাতে দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো যায়। পাশাপশি তিনি জানিয়েছেন, বাড়ানো হয়েছে হুইল চেয়ারের সংখ্যা । ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে একাধিক অভিযোগ আসছে ১০০ ডায়াল ও থানার কাছে। অনেকের বাড়িতে অসুস্থ মানুষ আছেন শব্দের জন্য তাঁরা সমস্যায় পড়ছেন।
'বেসলেস কাঁচা মিথ্যে'
যদিও পুলিশের এই সব দাবির মধ্য়ে চক্রান্তই দেখছেন সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, 'এমন কিছু নাম দিয়ে করানো হচ্ছে, যে নামের মানুষ এখানে নেই। কোনও অ্যাডভোকেটকে দিয়ে পুলিশ কমিশনার, কমিশনার লেভেলে যতজন আছে সবাইকে মেল করা হচ্ছে। যে আমার মাইকে ভীষণ অসুবিধা হচ্ছে।পুরোটাই বানানো মিথ্যে। বেসলেস কাঁচা মিথ্যে।'
থিম 'অপারেশন সিঁদুর'
শুধু এবারই নয়, সজল ঘোষের পুজো বলে পরিচিত, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো ঘিরে গত কয়েক বছরই তরজা চরমে ওঠে। এবারে তাদের থিম 'অপারেশন সিঁদুর'। বিগত কয়েক বছর ধরেই সমসাময়িক বিষয়ই থিম হয়ে আসছে এখানকার পুজোর, যা বহু মানুষকে আকর্ষণ করছে। ষষ্ঠীর গোটা দিন জুড়েও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো বলে পরিচিত সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার।