বিটন চক্রবর্তী, পাঁশকুড়া: ভয়াবহ ঘটনা পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার শিশু শিক্ষাকেন্দ্রে! পাঁশকুড়া ব্লকের প্রতাপপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কানাসী-কিশোরচক শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে ক্লাস চলছিল রোজকার মতোই। ক্লাস চলাকালীনই হঠাৎ ভেঙে পড়ে একটি দেওয়াল। ক্লাস চলাকালীনই ভবনের একটি দেওয়াল ভেঙে পড়ে। পাশাপাশি শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে দেখা গিয়েছে একটি বড়সড় ফাটল‌। এখানেই শেষ নয়, গোটা স্কুলবাড়িটাই হেলে পড়েছে বলেই জানা যাচ্ছে।  এই পরিস্থিতিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং পড়ুয়াদের মধ্যে। দেওয়াল ভেঙে পড়ার ঘটনার পরেই, তড়িঘড়ি ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল চত্বর থেকে বের করে নিয়ে আসেন শিক্ষিকারা। বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে চলছিল পড়াশোনা, তবে এতেও সামাল দেওয়া যাচ্ছে না পরিস্থিতি!

Continues below advertisement

দেওয়াল ভেঙেছে, গোটা স্কুলবাড়িতে ফাটল! ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের!

বর্তমানে ঘোর বর্ষা, ফলে আকাশের নিচে পড়াশোনা চালিয়ে নিয়ে যাওয়াও সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে স্কুলবাড়ির অবস্থাও এমন যে সেখানে পড়াশোনা চালিয়ে নিয়ে যাওয়াও সম্ভব নয়। স্কুলের একটি দেওয়াল ইতিমধ্যেই ভেঙে পড়েছে, হেলে গিয়েছে গোটা স্কুলবাড়ি। বাড়িটির একাধিক জায়গায় ফাটল ধরেছে। এর ফলে, যে কোনও সময়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে এমনই আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকা এবং ছাত্রছাত্রীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। বেশ কিছুদিন খোলা আকাশের নিচে পড়াশোনা চালালেও, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে, আপাতত পঠনপাঠন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল, স্কুল কর্তৃপক্ষ ও ব্লক প্রশাসন। ঘটনার খবর পেয়েই বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা এবং পাঁশকুড়া ব্লকের জয়েন্ট বিডিও।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তাঁরা বলেন, 'ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবনটি আপাতত ব্যবহার করা যাবে না একেবারেই। পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অন্য একটি নিরাপদ জায়গায় বিদ্যালয়ের পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা হবে।'

Continues below advertisement

অন্যদিকে এদিন, পশ্চিমবঙ্গ দিবসের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্তিকরণ নিয়ে দীপক বর্মন বলেছেন, 'পশ্চিমবঙ্গ দিবস পাঠ্য পুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হবে, এ বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। সিলেবাস তো কোনও স্ট্যাটিক বিষয় নয়। সিলেবাস সব সময় চলমান। সমাজের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে এবং প্রয়োজনীয়তার উপর ভিত্তি করে সিলেবাস তৈরি হয়। তার জন্য নির্দিষ্ট কমিটি তৈরি করা হয়। বিশেষজ্ঞ কমিটি থাকে। তারা মতামত দিলে সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সিলেবাস তৈরি হয়। সেই কারণে সিলেবাস আজকের দিনের উপযোগী করবার জন্য ভাবনাচিন্তা করব। সেই সময় বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ যদি থাকে, তবেই এর অন্তর্ভুক্ত হবে'।

 

আরও পড়ুন: Kamduni Incident: মুখ্য়মন্ত্রীর জনতার দরবারে কামদুনির নির্যাতিতার পরিবার, কী দাবি জানাচ্ছেন মৌসুমী-টুম্পারা?