সনৎ ঝাঁ, শিলিগুড়ি বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে, বদলে যাবে অনেক কিছুই। এই কথা বারে বারেই বলে আসা হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বের তরফ থেকে। আর এবার, বিধায়ক হয়ে ভোটারদের অভাব-অভিযোগ শুনতে 'সরাসরি শঙ্কর' কর্মসূচি নিয়েছেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। বাঘাযতীন পার্কে এদিন এই কর্মসূচির সূচনা হল। সরাসরি বিধায়ককে অভাব-অভিযোগ জানাচ্ছেন বাসিন্দা। মাসে একদিন করে এই কর্মসূচি করা হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক। রবিবাসরীয় সকালে, একেবারে টেবিল চেয়ার পেতে, এলাকার বাসিন্দাদের অভাব অভিযোগ শুনতে বসেছেন শঙ্কর ঘোষ। নিজেই নথিবদ্ধ করে নিচ্ছে খাতায়।
অ্যাকশনে জনপ্রতিনিধি, অভাব অভিযোগ শুনছেন শঙ্কর ঘোষ
রবিবারের সকালে একেবারে খোলা আকাশের নিচে, বেঞ্চ পেতে বসেছেন জনপ্রতিনিধি। লিপিবদ্ধ করে নিচ্ছেন বাসিন্দাদের অভাব অভিযোগ। এই ছবি কী আদৌ পরিচিত শিলিগুড়ির মানুষদের কাছে? বাসিন্দারা বলছেন, শুধু ১৫ বছর কেন, শিলিগুড়ির মানুষদের কাছে এই ছবিটা প্রথম। তাঁরা আসছেন, সরাসরি জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন। তবে বিধায়ক বলছেন, সমস্যা সমাধানের জন্য কিছুটা সময় দরকার। তাঁরা সদ্যই ক্ষমতায় এসেছেন। সবটা দেখে বুঝে নিতে তাঁদের একটু সময় লাগবে। সেই কারণেই বাসিন্দাদের অভিযোগ লিপিবদ্ধ করে নিলেও, তাঁদের একটু অপেক্ষা করতে বলছেন জনপ্রতিনিধি। এই উদ্যোগ নিয়ে শঙ্কর ঘোষ বলছেন, 'যেন এই রাজ্যের মানুষদের ন্যায়বিচার দিতে পারি। বিভিন্ন ধরণের সমস্যা তৈরি হয়েছে। মানুষ চাইছেন, সেই সমস্যাগুলো দূর হোক। তবে বুঝতে হবে যে, ১৫ বছরে এই রাজ্যে যে জঞ্জাল তৈরি হয়েছে, তা ১৫ দিনে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। আমাদের ইচ্ছা, আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় আর রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্যের কথামতো, আমরা মানুষের সরকার, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সরকার গড়তে চাইছি। মানুষের সরকার হিসেবে এই সরকারকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছি। আমি চিরকালই মানুষের মধ্যে থাকতে ভালবাসি। একটা সময়ে সক্রিয়ভাবে বিরোধি দল করেছি। এখন যে দল সরকারে এসেছে, আমি সেই দলের প্রতিনিধি। সেই দায়িত্ব নিয়েই মানুষের অভাব অভিযোগ দূর করার চেষ্টা করছি।'
ময়দানে বিধায়ক
অন্যদিকে, বর্ষার আগে নিকাশি ব্য়বস্থার কাজ খতিয়ে দেখতে ময়দানে বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। এদিন সাত সকালে বহরমপুরের ইন্দ্রপ্রস্থ নতুন বস্তি এলাকায় মজে যাওয়া ড্রেনের কাজ কেমন চলছে তা খতিয়ে দেখেন বিধায়ক।সমস্য়া সমাধানে ইতিমধ্য়েই সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার ও পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে রোডম্যাপ তৈরি হয়েছে। শুরু হয়েছে কাজও। এই কাজ শেষ হলে বর্ষায় জলযন্ত্রণা অনেকটাই কমবে বলে আশা বিধায়কের।
