শিলিগুড়ি: টয় ট্রেনে জঙ্গল সাফারি! শিলিগুড়ি থেকে গয়াবাড়ি পর্যন্ত এখন খুব অল্প টাকায় টয় ট্রেন সফর। মাত্র ৫০০ টাকায় পাহাড়ি আনন্দ, ফিরছে বহু প্রতীক্ষিত লোকাল ট্যুরিজম।

Continues below advertisement

পাহাড়ের আনন্দ নিতে আর দার্জিলিং যেতে হবে না। শিলিগুড়ি থেকে গয়াবাড়ি পর্যন্ত চালু হলো টয় ট্রেন জঙ্গল সাফারি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ফের নতুন রূপে শুরু হলো এই বিশেষ পর্যটন পরিষেবা। ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত চালু থাকা এই জঙ্গল সাফারি নানা কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এবার লোকাল ট্যুরিজমকে উৎসাহিত করতে এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ফের এই উদ্যোগ নিল দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে।

এই জঙ্গল সাফারিতে থাকবে মোট তিনটি কোচ। এর মধ্যে দুটি কোচ থাকবে বেসরকারি সংস্থার তত্ত্বাবধানে। ওই কোচগুলিতে মিলবে বাড়তি সুবিধা—সিকিউরিটি গার্ড, ট্রেন হোস্টেস, ব্রেকফাস্ট, টিফিন ও লাঞ্চ। বাকি একটি কোচ থাকবে আইআরসিটিসির তত্ত্বাবধানে। মাত্র ৫০০ টাকার বিনিময়ে শিলিগুড়ি থেকে গয়াবাড়ি পর্যন্ত এই মনোরম জঙ্গল সফর উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। DHR-এর ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী জানান, শিলিগুড়ি ও সংলগ্ন এলাকার লোকাল ট্যুরিজমকে প্রমোট করা এবং কর্মসংস্থান তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।

Continues below advertisement

উল্লেখ্য, অরাজকতার বাংলাদেশে আতঙ্কে রয়েছেন সেখানকার ট্রাক চালকরা। শিলিগুড়ির ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উদ্বেগের কথা জানাচ্ছেন তাঁরা। বাংলাদেশে শান্তি ফেরানোর জন্য আর্জিও জানাচ্ছেন ওপারের ট্রাক চালকরা। ঢাকার ট্রাক চালক ও বাসিন্দা  রবি মিয়া মহম্মদ বলেন, বাংলাদেশে এখন হাদিকে নিয়ে প্রচুর চাপ আছে, শান্তি নেই। আমরা রাস্তায় থাকছি বেশিরভাগ। নৈরাজ্যের আগুনে জ্বলছে বাংলাদেশ। ভাঙচুর, লুঠপাটের পাশাপাশি, খুন হতে হচ্ছে শিশু থেকে, যুবক এমনকী রেহাই পাচ্ছেন না ট্রাক চালকরাও। অন্ধকার নামলেই লুঠেরাদের দাপাদাপি শুরু হচ্ছে ওপারে।

শিলিগুড়ির ফুলবাড়িতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উদ্বেগের কথা জানালেন সেদেশের ট্রাক চালকরাই। ঢাকা ট্রাক চালক ও বাসিন্দা  রবি মিয়া মহম্মদ বলেন,আতঙ্ক সবার মধ্যে এখন, কোন সময়ে, কী হয়ে যায়! শেষ রাতে গাড়ি চালানো এখন ভয়ের। কোন জায়গায় রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতি করে। এইরকম আন্দোলন করলে তো জিনিসটা সঠিক হবে না, এইরকম অত্যাচার করা ঠিক নয়। বাংলাদেশে হিংসা, অশান্তির প্রভাব পড়েছে এদেশের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রগুলোতেও। প্রতিবেশী রাষ্ট্রে অশান্তির জেরে কার্যত ফাঁকা ফুলবাড়ির বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রগুলি।