কলকাতা: ভোটের আগে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ। পটাশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষক অঞ্জন সাহু। শনিবার গভীর রাতে তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে...More
কলকাতা: ভোটের আগে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ। পটাশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষক অঞ্জন সাহু। শনিবার গভীর রাতে তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। এমনই অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। এই আবহে একটি CCTV ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, রাতে একটি বাইকে তিনজন এসে, একটি বাড়ির সীমানা পাঁচিলের ওপর থেকে গাছের টব নিয়ে চলে যাচ্ছে। "চলো লড়াই করি, তবে সেটা খেলার মাঠে"। এই স্লোগানকে সামনে রেখে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে রবিবার মহিষাদলে অনুষ্ঠিত হলো প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ বনাম মহিষাদল অধিবাসীবৃন্দ। সেখানেই পুলিশ আর পাবলিক একসাথে, এক মাঠে। মহিষাদল রাজ গ্রাউন্ড লাগোয়া ক্রিকেট মাঠে সেই ম্যাচ দেখতে ছোট থেকে বড়, সবার উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। ক্ষুদে ক্রিকেটারদের টুপি পরিয়ে দেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে। নিজেও ম্যাচে অংশ নেন তিনি। পুলিশ সুপারের বক্তব্য, ভোট এলে বিভিন্নভাবে হিংসা হয়, তাতে সবথেকে ক্ষতি হয় শৈশবের। তাঁরা সেটা কিছুতেই হতে দেবেন না। পুলিশ ও জনসাধারণের পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতেই এমন প্রীতি ম্যাচের আয়োজন বলে জানান তিনি। এমন উদ্যোগে খুশি ম্যাচে অংশ নেওয়া প্রবীণ খেলোয়াড়রা। এলাকার বেশ কিছু ক্লাবকে ফুটবল সহ খেলার নানা সরঞ্জামও বিলি করা হয় পুলিশের তরফে। একঝাঁক কচিকাচা, সকলের গলায় ফুলের মালা। সামনে ঝুড়িতেও হরেক রংয়ের ফুল। রবিবার সেই সব রঙিণ ফুল নিয়েই দোল খেলায় মাতল ক্যালকাটা ব্লাইন্ড স্কুলের পড়ুয়ারা। চোখের দৃষ্টি না থাকলেও মনের দৃষ্টি দিয়েই প্রতিটি ফুলের রঙ উপভোগ করল সকলে। ফুল দিয়ে দোল খেলার আয়োজন করেছিল মুদিয়ালি ক্লাব ও ক্যারাভ্যান। ক্যালকাটা ব্লাইন্ড স্কুলের পড়ুয়ারা তাতে অংশ নেয়। সঙ্গে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মুদিয়ালি ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে মিলে মনোগ্রাহী নাচ, গান, কবিতায় চারিদিক মুখরিত করে তোলে ব্লাইন্ড স্কুলের কচিকাচারা। গলায় ফুলের মালা, দুহাতের মুঠো ভর্তি নানা রংয়ের ফুলের পাপড়ি আর সঙ্গে বসন্ত উৎসবের গান।মুদিয়ালি ক্লাব প্রাঙ্গনে রবিবার এভাবেই দোল উদযাপন করল দৃষ্টিহীন এক ঝাঁক পড়ুয়া। উৎসবের আনন্দের মাঝে অবশ্য চোখের যত্ন নেওয়ার বার্তা সঞ্চারিত হয়েছে। বোঝানো হয়েছে চোখ নষ্ট হতে পারে এমন রংয়ের চেয়ে রঙিন ফুল দিয়ে দোল খেলা অনেক নিরাপদ। মুদিয়ালি ক্লাব ও ক্যারাভ্যানের তরফে মিলিতভাবে এদিন ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয় ক্যালকাটা ব্লাইন্ড স্কুলকে।