কলকাতা: ইডির কাছ থেকে এবার পুলিশ হেফাজতে গেল সোনা পাপ্পু। কাঁকুলিয়া রোডে গুলিকাণ্ডে, ২০ জুন পর্যন্ত রবীন্দ্র সরোবর থানার হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, "BJP সরকার উন্নতির জন্য দ্বিগুণ টাকা..", উত্তরবঙ্গে গিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Continues below advertisement

সাড়ে তিন মাসের লুকোচুরি শেষে ED-র হাতে গ্রেফতার হয়েছিল সোনা পাপপু

সাড়ে তিন মাসের লুকোচুরি শেষে ED-র হাতে গ্রেফতার হয়েছিল সোনা পাপপু। তোলাবাজি, জমি দখলের মামলায়, প্রায় ৯ ঘণ্টা জেরার পর, তাঁকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় ৯ ঘণ্টা জেরার পর বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই ফেব্রুয়ারি মাসে কাঁকুলিয়ায় বোমা-গুলিকাণ্ডে সোনা পাপ্পুর , তারপর থেকেই তিনি উধাও হয়ে যায়। ফেসবুকে অ্যাকটিভ থাকলেও, তাঁকে খুঁজে পায়নি পুলিশ। রাজ্য়ে পালাবদলের পর আচমকা নিজে থেকেই ED দফতরে হাজির হন সোনা পাপপু।

"এই সিন্ডিকেট চলত একটা ত্রিভূজের মতো মডিউলে"

 ED সূত্রে আগেই দাবি করা হয়েছিল, এই সিন্ডিকেট চলত একটা ত্রিভূজের মতো মডিউলে।যার অংশ ছিলেন ব্য়বসায়ী জয় এস কামদার কলকাতা পুলিশের DC শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস এবং সোনা পাপপু। তিনজনই আপাতত ED-র হাতে গ্রেফতার। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে দাবি, বেছে বেছে প্রবাসী, প্রবীণ নাগরিকদের টার্গেট করত এই সিন্ডিকেট। প্রথমে জমি বিক্রেতাদের সব শর্ত মেনে চুক্তি করত কামদারের মতো ব্যবসায়ীরা। কিন্তু, পরে চুক্তি অনুযায়ী টাকা দেওয়া হত না। উল্টে বিক্রেতাদের বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ ঠুকতেন প্রোমোটার।তখনই আসরে নামতেন পুলিশকর্তা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। তাঁর নির্দেশে থানায় ডেকে এনে চাপ দেওয়া হত বিক্রেতাদের। সেই সঙ্গে সমানতালে হুমকি-ধমক দিত সোনা পাপ্পুর মতো দুষ্কৃতীরা।

ইডি অফিসে হাজির হয়ে নিজের হয়ে সাফাইয়ের সুর শোনা গিয়েছিল সোনা পাপ্পুর গলায়

 যদিও, ইডি অফিসে হাজির হয়ে নিজের হয়ে সাফাইয়ের সুর শোনা গিয়েছিল সোনা পাপ্পুর গলায়। অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু সেসময় বলেছিলেন, কোনও জমি, আমি কোনও জমি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই। শান্তনুবাবুকে আমি কোনওদিনই নিজে সামনাসামনি দেখিনি। জীবনে কোনওদিন শান্তনুবাবুর সঙ্গে আমার কোনও কথা হয়নি।' তবে এসব জারিজুরি শেষ অবধি কাজে এল না। জয় এস কামদার এবং শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে ED ইতিমধ্য়েই গ্রেফতার করেছে। এরপর ED-র হাতে গ্রেফতার হয় সোনা পাপ্পু।