দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বড়দিনের আগের দিন মর্মান্তিক ঘটনা। বাসন্তীর খড়িমাচায় বিস্ফোরণে জখম এক শিশু। অভিযোগ, গ্রামে একটি নির্মীয়মাণ বাড়িতে হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন স্থানীয়রা। গিয়ে দেখা যায়, জখম অবস্থায় পড়ে রয়েছে এক শিশু। হাতের আঙুল ও চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে শিশুটির। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে SSKM হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে । বাসন্তী থানার পুলিশ জানিয়েছে, বোমা বিস্ফোরণ কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, বিকট শব্দে ফাটল বাসের টায়ার, ডিভাইডার টপকে দুটি গাড়িকে সজোরে ধাক্কা, মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত ৯ !

Continues below advertisement

বড়দিনের আগের দিন মর্মান্তিক ঘটনা। বাসন্তীর খড়িমাচান বিস্ফোরণে জখম এক শিশু। অভিযোগ, বুধবার সন্ধেয় খড়িমাচান গ্রামে একটি নির্মীয়মাণ বাড়িতে হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। গিয়ে দেখা যায়, জখম অবস্থায় পড়ে রয়েছে এক শিশু। হাতের আঙুল, চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে শিশুটির। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে SSKM হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসন্তী থানার পুলিশ জানিয়েছে, এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে সুতলি। বোমা-বিস্ফোরণ কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দিকে দিকে যখন চলছে বড়দিনের উৎসব! আলোয় সেজেছে রাজপথ, একদিকে যখন এই ছবি অন্যদিকে,দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে তখন বিষাদের ছায়া! বুধবার রাতে বাসন্তীর খড়িমাচান গ্রামে নির্মীয়মাণ বাড়িতে বিস্ফোরণে জখম চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্র।স্থানীয়দের দাবি,  আচমকা বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান তাঁরা। তড়িঘড়ি গিয়ে।খড়িমাচানের বাসিন্দা বলেন, শুনলাম সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে একটা ছেলে আহত হয়েছে। পুলিশ এসেছে। কেউ কেউ বলছে যে তদন্ত করছে যে কোন বিষয়ে বা কী বা বোমার আঘাতে হয়েছে কি না আমি ঠিক বলতে পারব না। তদন্ত করছে পুলিশ।  বিজেপির বিজেপির অভিযোগ বোমা বিস্ফোরণেই আহত হয়েছে শিশুটি। হাতের আঙুল বিজেপির অভিযোগ। আনার শেখের নির্মীয়মান বাড়িতে হয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি  শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বোমা নতুন কিছু নয় বাংলায়। এর আগেও বোমা ছিল। সিপিএম আমলেও বোমা চলেছে। কিন্তু বোমার এই বিকেন্দ্রীকরণ! যে সর্বত্র বোমা, আলু-পটলের মতো। এটা অতীতে ছিল না। বোমা ফেটে এর আগে ১১জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে সাম্প্রতিককালে। ভারতবর্ষের কোথাও এর নিদর্শন নেই। যতদিন তৃণমূল কংগ্রেস থাকবে, ততদিন এটা চলবে। এখন তো জিহাদিদের রাজ্য হয়ে যাচ্ছে এটা। বাবরের সরকার এসে গেছে। সোহরাওয়ার্দীর ভাষায় রাজ্যের বিভিন্ন মন্ত্রীরা কথা বলছেন। এর থেকে দুর্ভাগ্যজনক আর কী থাকতে পারে।