দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভোটের আগে ভয়ের ভাঙড়, পরপর হামলা! ফের উত্তপ্ত ভাঙড়, ISF-এর ওপর হামলার অভিযোগ। ভাঙচুর একাধিক বাইক, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, বড় খবর ! 'SIR-এ এখনও বাকি ৬০ লক্ষের নিষ্পত্তি', শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, তারপরেই দুই ২৪ পরগনা, খবর সূত্রের 

Continues below advertisement

ভোটের আগে ভয়ের ভাঙড়, ISF-এর ওপর হামলার অভিযোগ

কাল রাজাপুর এলাকায় জনসংযোগ ISF বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকির। এলাকা পরিদর্শনে এসেছিলাম, দাবি ISF কর্মীদের। সেখানেই হামলা চালায় তৃণমূল, অভিযোগ ISF-এর। যদিও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের। গত ২১ ফেব্রুয়ারি  ভাঙড়ে তৃণমূল নেতা খায়রুল ইসলামের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। এরপরেই পোলেরহাট থানার কাছেই সওকতের ওপর হামলার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ককে লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে।

সদ্য মিনাখাঁয় ISF-এর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে

 এদিকে সদ্য মিনাখাঁয় ISF-এর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দলীয় পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বাঁধে ধুন্ধুমার। আইএসএফ-এর দাবি, তাদের ৭ জন কর্মী আহত হয়েছেন। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। একদিকে যখন শনিবার ভাঙড়ে ISF-এর বিরুদ্ধে তৃণমূল নেতাদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে, তখন অন্যদিকে রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় ISF-এর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুই দলের কর্মীরা।দলীয় পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বিবাদের সূত্রপাত।রবিবার মিনাখাঁর বাবুরহাট বাজারে দলীয় পতাকা লাগাচ্ছিলেন ISF কর্মীরা। অভিযোগ, সেই সময়ই ISF কর্মীদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূলের কর্মীরা। দু'পক্ষের মধ্য়ে বাধে হাতাহাতি, শুরু হয় ধুন্ধুমার।মাথা ফেটে যায় বেশ কয়েকজন ISF কর্মীর।এমনকী আক্রান্ত ISF কর্মীকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানেও অন্য ISF কর্মীদের ওপর তৃণমূলের লোকজন চড়াও হয় বলে অভিযোগ। 

যদিও অভিযোগ উড়িয়ে আজব দাবি করেছে তৃণমূল

পিয়ারুল ইসলাম মিনাখাঁ ISF নেতা বলেন, 'টিএমসি-র দুষ্কৃতীরা এসে আমাদের ছেলেদের ওপর আঘাত করে এবং তাঁদেরকে মারধর করে। আমাদের ৭ জন ছেলে আহত হয়েছে। একজন চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে ভর্তি আছে। তাঁর খুব বাজে অবস্থা। বাজে পরিস্থিতির মধ্যে আছে।' যদিও অভিযোগ উড়িয়ে আজব দাবি করেছে তৃণমূল।বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি  বুরহানুল মুকাদ্দিম বলেন,  বিজেপি এবং ISF ষড়যন্ত্র করে নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বটাকে তৃণমূল কংগ্রেসের কাঁধে বর্তাতে চাইছে। এই ধরনের কোনও তথ্য আমার কাছে নেই।