রঞ্জিত হালদার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তৃণমূল নেতাকে খুনের জন্য সুপারি দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক? ভাঙড় তৃণমূল নেতা  কাইজার আহমেদ বলেন, আমি পথের কাঁটা হওয়ার জন্য আমাকে সরাতে চাইছে। কমপ্লেন করেছি, সওকত মোল্লার নামে। ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক ও ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ। খুন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে, নিজেরই দলের বিধায়কের বিরুদ্ধে FIR দায়েরের আবেদন জানিয়ে ভাঙড় থানায় ই-মেল করেছেন কাইজার আহমেদ। 

আরও পড়ুন, শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মতিথিতে প্রধানমন্ত্রীর পোস্টে "স্বামী" সম্বোধন ! "নতুন শব্দবন্ধ আবিষ্কার করবেন না", আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর

ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ বলেন, গত ২ দিন আগে আবার ৩ জনের একটা টিমকে নিয়ে এসেছে ঘাটাল থেকে, কোটি কোটি টাকার কনট্রাক্ট করে।একটা লোক ভয় পাচ্ছে, কাইজার আতঙ্কে ভুগছে।ভাঙড়ের মাটিতে যাতে তোলাবাজি, রাহাজানি, খুন নানা কিছু করতে পারে। আমি পথের কাঁটা হওয়ার জন্য আমাকে সরাতে চাইছে। যদিও কাইজার আহমেদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা তাঁকেই আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লা। ক্যানিং পূর্ব ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক ও তৃণমূল বিধায়ক  সওকত মোল্লা বলেন, ওকে (কাইজার আহমেদ) কেন কেউ খুন করতে যাবে? যেকোনও ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীর ইমেজ নষ্ট করো, এটাই হচ্ছে এর মূল কাজ। আসলে এরা হচ্ছে এক ধরনের জমি মাফিয়া। ঘটকপুকুর থেকে চণ্ডীপুরের ওদিক থেকে যত জমি আছে, এই কাইজার আর কাইজারের বাবা সমস্ত প্রোমোটিং করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের ঝান্ডা সামনে রেখে। 'দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেছেন কাইজার আহমেদ।

কাইজার আহমেদ, ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা, পুলিশ প্রশাসনের কোনও ভূমিকা নেই, দলেরও কোনও ভূমিকা নেই। এতে মমতা ব্যানার্জির কিছু যায় আসে না। মারছে কে মুসলিম, মরছে কে মুসলিম? তাতে একটা-আধটা মরলে ওনার কিছু যায় আসে না। আমাদের যখন প্রয়োজন ছিল ব্যবহার করেছে। দলেরই বিধায়কের বিরুদ্ধে তৃণমূল নেতার অভিযোগ ঘিরে চড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক তরজার পারদ।বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, সওকত খুন করতে চায় কাইজারকে। কাইজার খুন করতে চায় সওকতকে। এরা দু'জনেই খুনি। আরাবুল বলুন, কাইজার বলুন, সওকত বলুন, যে যখন বিপদে পড়ে সে তখন কাঁদতে থাকে। এর আগেও একাধিকবার সওকত মোল্লার সঙ্গে কাইজার আহমেদের অন্তর্দ্বন্দ্বের সাক্ষী থেকেছে ভাঙড়।এমনকী কাইজার আহমেদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে সওকত মোল্লার অনুগামীদের বিরুদ্ধে।