রঞ্জিত হালদার, সোনারপুর: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট (Death by Electrocution) হয়ে মর্মান্তিক পরিণতি অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের। ইলেক্ট্রিক ওজন মেশিন চাল ওজন করতে বেঘোরে প্রাণ গেল সোনারপুর থানা এলাকার বাসিন্দার। তাকে উদ্ধার করে সুভাষ গ্রাম গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মর্মান্তিক পরিণতি ছাত্রের: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল ১৪ বছরের এক স্কুল ছাত্রের ৷ ঘটনাটি ঘটেছে সোনারপুর থানা এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন পল্লিতে ৷ মৄতের নাম দেবজ্যোতি ধর ৷ কোদালিয়া প্রসঙ্গবঙ্গ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ৷ পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুপুরে বাড়িতে ইলেকট্রিক ওজন মেশিনে চাল ওজন করছিল দেবজ্যোতি ওরফে সন্তু ৷ পাশের ঘরেই তাঁর মা মুনমুন ধর পুজো দিচ্ছিলেন ৷ তিনি পুজো দিয়ে উঠে দেখেন ছেলে ঘরের মধ্যে পড়ে রয়েছে ৷ সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার শুরু করেন ৷ পরিবারের অন্যরা দৌড়ে আসে ৷ তাকে উদ্ধার করে সুভাষ গ্রাম গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ওই ছাত্রকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা ৷ এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া ৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সোনারপুর থানার পুলিশ ৷ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ৷
গত সপ্তাহে বাজ পড়ে বাঁকুড়ায় (Bankura Lightning Death) মৃত্যু হয় ২ জনের। মৃতদের নাম সোনু লোহার ও অভি বাগদী। দুজনেরই বাড়ি বাঁকুড়া সদর থানার সানাবাঁধ গ্রামে। গত বুধবার দুপুরের পর বাঁকুড়ায় আচমকাই প্রবল বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির মাঝেই স্থানীয় একটি পুকুরে স্নান করতে যান সানাবাঁধ গ্রামের সোনু লোহার ( ১৯) এবং ওই গ্রামেরই অভি বাগদী (১৩)। আচমকাই বজ্রপাতে দুজনেই ছিটকে পড়ে মাটিতে। স্থানীয়রা দ্রুত দুজনকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে যান। তবে শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর দেহ দুটির ময়না তদন্ত করা হয় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে।
এর আগে গতমাসে বজ্রপাতে মৃত্যু হয় এক শ্রমিকের। গত ১৭ এপ্রিল ঘটনাটি ঘটে ইংলিশ বাজার ব্লকের মহদীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একে গোপালন কলোনি এলাকায়। জানা যায় মৃত শ্রমিকের নাম কৃষ্ণ দাস। বয়স ২৩ বছর। বাড়ি ওই এলাকাতেই। ঘটনার দিন সকালে বাড়ি থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে মালদা মহদিপুর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথের ধারে পাথর বোঝায় লরি লোডিং আনলোডিংয়ের কাজ করছিলেন ওই শ্রমিক। ঠিক সেই সময় হঠাৎ ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়। পাথর বোঝায় একটি লরির নিচে আশ্রয় নেন ওই শ্রমিক। ঠিক সেই সময় হঠাৎ বজ্রপাতে মৃত্যু হয় তাঁর, বলে পরিবারের দাবি। পরে তাঁকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।