কলকাতা: গেরুয়া ঝড়ে ধরাশায়ী তৃণমূল, ফল বেরনোর পরেই পুর পরিষেবা বন্ধের অভিযোগ। দক্ষিণ দমদম পুরসভায় পৌঁছে গেলেন বিজেপির ৩ জয়ী প্রার্থী। দক্ষিণ দমদম পুরসভায় পৌঁছলেন দমদম, রাজারহাট-গোপালপুর ও বিধাননগরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী। জ্বলছে না রাস্তার আলো, বন্ধ জঞ্জাল তোলা, নর্দমা পরিষ্কার না করার অভিযোগ। ওয়ার্ড অফিসে নিয়মিত আসতে বলুন কাউন্সিলরদের, চেয়ারপার্সনের কাছে দাবি দমদমের জয়ী বিজেপি প্রার্থীর। আইনের পথে চলুন, আইনের সঙ্গে থাকুন, প্রতিক্রিয়া বিধাননগরের জয়ী বিজেপি প্রার্থীর। নাগরিকদের পরিষেবা দিতে বলা হয়েছে কাউন্সিলরদের, জানালেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার চেয়ারপার্সন কস্তুরী চৌধুরীর। সবাই মিলে সুস্থ পরিসরে কাজ করার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন।

Continues below advertisement

দমদমের জয়ী বিজেপি প্রার্থী অরিজিৎ বক্সী বলেন, 'নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছিলাম যে বিভিন্ন জায়গয় নাগরিক পরিষেবা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাতের স্ট্রিটলাইট জ্বলছে। জঞ্জাল সাফাই কর্মীরা নোংরা তোলা বন্ধ করে দিয়েছে। পাড়ায় পাড়ায় আবর্জনার স্তূপ জমছে। ড্রেন পরিষ্কারের পরিস্থিতি নেই। ড্রেন উপচে পড়েছে। আমরা চেয়ারম্য়ান ম্যাডামদের বললাম যে কাউন্সিলরদের বলুন যে তাঁরা যেন ওয়ার্ড অফিসগুলোয় প্রতিদিন এসে বসেন।'

বিধাননগরের বিজেপি প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেছেন, 'আইন মেনে চলুন, আইনের সঙ্গে থাকুন। শাসকের আইন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এবার আইনের শাসন শুরু হয়েছে। তাই কোনওরকম বেআইনি বিষয় মেনে নেওয়া হবে না। পরিষেবা যদি ঠিক মত দেন, তাহলে ভারতীয় জনতা পার্টি তৃণমূলের সব কাউন্সিলরদের পাশে রয়েছে। আইন ভাঙলে তার পরিনাম কখনওই ভাল হবে না।' দমদম পুরসভার চেয়ারপার্সন কস্তুরী চৌধুরী জানিয়েছেন, 'সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ হল আজ। আমাদের সবাইকে সুষ্ঠুভাবে নিয়ম মেনে অফিস পরিচালনা করতে বলেছেন তিন বিধায়কই। প্রত্যেক কাউন্সিলরদের নির্দেশ দিয়েছেন যে তাঁরা যেন নাগরিক পরিষেবা ঠিকভাবে দেন।

Continues below advertisement

এদিকে, একইরকম অচলাবস্থার অভিযোগ উঠেছে কাঁথিতেও। সেখানে বিজেপির জয়ের পর এমন পরিস্থিতি তৈরি হতেই সেখানে বিজেপি সাংসদ গিয়ে পৌঁছলেন। এরপরই সেখানে জয় শ্রী রাম স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। কাঁথি পুরসভায় ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭টি তৃণমূলের দখলে, বিজেপির হাতে রয়েছে ৪টি ওয়ার্ড। অধিকাংশ তৃণমূল কাউন্সিলরই পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন, দাবি বিজেপি কাউন্সিলর সুশীল দাসের। মানুষকে সুষ্ঠু পরিষেবা পাইয়ে দিতে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা সৌমেন্দু অধিকারীর।