কলকাতা: গ্রেফতার স্বরূপ বিশ্বাস, এদিকে মেসিকাণ্ডে হাজিরা এড়ালেন অরূপ বিশ্বাস। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরার জন্য ২ সপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। এই ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন পুর নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, কলকাতা স্টেশনও জুড়তে চলেছে মেট্রোয় ? কোন কোন এলাকা জুড়তে পারে এই নতুন মেট্রো রুটে ?

Continues below advertisement

 আগামী ৫ তারিখের মধ্যে অরূপ বিশ্বাসকে হাজিরা দিতে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরার জন্য ২ সপ্তাহ সময় চেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। শতদ্রু দত্তর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে FIR দায়ের হয়। এদিন বলেন, ‘অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, এরকম তো আমরা প্রায়ই দেখেছি ১৫ বছর ধরে, যেই দুর্নীতি করেছে, মানুষের টাকা চুরি করেছে, শিক্ষক শিক্ষিকার চাকরি চুরি করে পথে বসিয়ে দিয়েছে, তাঁদেরকে যখন সিবিআই ধরতে গিয়েছে, তখন তাঁরা উডবার্ণ ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে গিয়েছে। এখানে অরুপ বাবু , আপনি অসুস্থ আছেন, ডক্টর সার্টিফিকেট রেডি করে রাখুন। কত দিন অসুস্থ থাকবেন, তারপরে তো একদিন সুস্থ হতেই হবে। অপেক্ষা করব। আমরা অপেক্ষা করব, যারা যারা অসুস্থ হয়ে যাচ্ছেন, বাংলার মানুষকে যেভাবে অত্যাচার করেছে, সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই হোক, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হোক,  অরূপ বিশ্বাস হোক, কিংবা  ফিরহাদ হাকিম, জবাব আপনাকে দিতেই হবে।’

সরকার বদলের পরই খুলছে মেসিকাণ্ডের ফাইল। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় দায়ের হল FIR.অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে FIR দায়ের হল বিধাননগর দক্ষিণ থানায়। গত বছর ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতীতে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, মেসির একেবারে গা ঘিষে ছবি তোলার চেষ্টা করেন নেতা, মন্ত্রী, VVIP ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা, লিওনেল মেসির গায়ে কার্যত লেপ্টে ছিলেন তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। নেতা-মন্ত্রীদের উপদ্রবে মাত্র ১৫-২০ মিনিট পরেই মাঠ ছাড়েন মেসিরা। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও মেসিকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন দর্শকরা। তারপরই গ্যালারি থেকে বোতল ছোড়া মাঠে ঢুকে তাণ্ডব, ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। রাজ্যে পালা বদল হতেই প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।