কলকাতা: জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি তুলেছে বিরোধীরা। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে ফের বড়সড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে মুখ্য় নির্বাচন কমিশন জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা। জ্ঞানেশ কুমারের গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এই প্রসঙ্গে এদিন মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
প্রশ্ন: জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ দাবি করছেন বিরোধীরা। আবার ককরোজ পার্টি সামনে আসছে বৃহস্পতিবার দ্বারা সাংবাদিক সম্মেলন করবে।
দিলীপ ঘোষ: বিরোধীরা তাঁদের কাজ করছে করুক আপত্তি নেই, সরকার উন্নয়নের কাজ করছে সেই নিয়ে ব্যস্ত আছে।
প্রশ্ন: অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন জ্ঞানেশ কুমার বিজেপির হাতের গণেশ হয়ে আছেন..
দিলীপ ঘোষ: ওনাদের সময় কি ছিল ? কোনও ফেয়ার ইলেকশন হয়েছে ? কখনও আজকে যারা ফেয়ার ইলেকশন করিয়াছেন, তাদেরকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত এখানে ইলেকশন হলে ওদের সমস্যা ওরা জিততে পারে না ইভিএম-কে দোষ দেন, কখনও ব্যালটকে দোষ দেন, কখনও অফিসারকে দোষ দেন, কখনও কমিশনকে দোষ দেন। এই করতে করতে ওদের পার্টি শেষ হয়ে গেল। বিজেপি জিতছে কেন? কারোর দয়ায় যেতে না তাদের কর্মীদের পরিশ্রম তাঁদের বিচারধারা এবং সাধারণ মানুষের আশীর্বাদে আমরা সরকার গঠন করেছি।
তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা দেশ জুড়ে
SIR নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি অগ্রাহ্য করে কি একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জ্ঞানেশ কুমার? দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা দেশ জুড়ে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১০ মাসে ১৪ বার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন দুই নির্বাচন কমিশনার সান্ধু ও জোশী। নির্বাচন কমিশনের একটি সিদ্ধান্ত এবং নির্দেশিকা নিয়ে ১ দিনে ৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু কোনও বারই তাঁদের আপত্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
গুরুতর অভিযোগ
‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বহুক্ষেত্রে তাঁদের অন্ধকারে রেখে ভোটার তালিকায় নতুন নাম সংযোজন এবং বাদ দেওয়ার কাজ হয়েছে। নতুন ভোটারদের নাম যুক্ত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের একটি সিদ্ধান্তকে ‘অবৈধ এবং অননুমোদিত’ বলে দাবি করেছেন দুই নির্বাচন কমিশনার। এছাড়াও ERO-দের ক্ষমতা খর্ব করা, ভোটার তালিকা তৈরির ব্যবস্থাকে কেন্দ্রীভূত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
