সৌভিক মজুমদার, কলকাতা: শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত মামলা ফেরত পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টেই ওই সংক্রান্ত সমস্ত মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়ে দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। অর্থাৎ ওই সংক্রান্ত সব মামলার শুনানি করেব হাইকোর্টই। (SSC Scam Case)

Continues below advertisement

আদালত জানিয়েছে, SSC সংক্রান্ত মামলায় চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়ার পর যে একাধিক মামলা আবারও সুপ্রিম কোর্টে যায় এবং কলকাতা হাইকোর্টেও জমা পড়ে, এখন থেকে সেগুলির বিচারপ্রক্রিয়া কলকাতা হাইকোর্টেই সংঘটিত হবে। সর্বোচ্চ আদালত যে গাইডলাইন বেঁধে দিয়েছিল, যে সিরিজ ছিল মামলার, সেসব মেনেই কলকাতা হাইকোর্টে পরবর্তী বিচারপ্রক্রিয়া চলবে। (Supreme Court)

কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়। অভিজ্ঞতার জন্য চাকরিহারা শিক্ষকদের যে বাড়তি ১০ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তা নিয়েও মামলা হয় হাইকোর্টে। বাড়তি ১০ নম্বর ইন্টারভিউয়ের আগে, না কি চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশের সময় দেওয়া হবে, তা নিয়ে একাধিক মামলা বিচারাধীন ছিল হাইকোর্টে। হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানিয়েছিলেন, যেহেতু মামলাগুলি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, তাই আপাতত সেগুলিতে হস্তক্ষেপ করছেন না তিনি। সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী নির্দেশের পর ভেবে দেখবেন।

Continues below advertisement

তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এদিন সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, তাতে এই সংক্রান্ত সমস্ত মামলার বিচারপ্রক্রিয়া বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে চলবে। শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ৪৪টি আবেদন জমা পড়ে। ৪৪টি আবেদনই হাইকোর্টে ফেরত পাঠানো হল। 

এদিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, "কোনও দাগি প্রার্থী নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন না। তাঁদের চাকরি দেওয়া যেতে পারে না। SSC প্রথম থেকেই উদ্যোগী ছিল যে, দাগিদের পরীক্ষায় বসিয়ে চাকরি দেবে। আজ সেটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। সেটা তারা পারে না। অন্য যে সব বিষয় রয়েছে, যেমন বাড়তি ১০ নম্বরের মামলা, কলকাতা হাইকোর্টে ২৮ তারিখ শুনানি। বলেছে, সমস্ত কলকাতা হাইকোর্ট শুনবে। অন্যান্য যা যা ইস্যু রয়েছে।"

ফিরদৌস আরও বলেন, "এছাড়াও, আদালতের পর্যবেক্ষণ খুব পরিষ্কার। আসলে নতুন শূন্যপদ বাড়িয়ে যে জটিলতা তৈরি করা হয়েছে, সেটা SS-র তরফে করা হয়েছে। হাইকোর্টের যে নির্দেশ ছিল, যা পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট আসে...গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ার যে রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট, সেখানে কোথাও বলা হয়নি, নতুন শূন্যপদ তৈরি করে, নতুন রুল এনে নিয়োগপ্রক্রিয়া চালাতে হবে।" দাগি শিক্ষকদের যাবতীয় বিবরণ-সহ তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে