কলকাতা: আজ নবান্ন সভাঘরে প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক থেকে আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।   

Continues below advertisement

এদিন তিনি বলেন, আজ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষিত 'আয়ুষ্মান ভারত', প্রকল্পে যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী জনআরোগ্য যোজনা, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই ক্যাবিনেটে এমনটাই জানান হল। 

আরও পড়ুন, চালু থাকা কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না! বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

Continues below advertisement

২০১৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাঁচি থেকে এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। বর্তমানে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত চালু হলে এবার সেই সুবিধা পেতে পারে ১ কোটি ৩০ লক্ষ পরিবার, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। 

ভারত সরকারের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে দেখা হয়, আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (PM-JAY)। বর্তমানে আকাশছোঁয়া চিকিৎসার খরচের কথা মাথায় রেখে এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলিকে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস (Cashless) বিমার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি এই কার্ড তৈরির প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হয়েছে। এখন আপনি অনলাইনেই নিজের মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে আয়ুষ্মান কার্ড (Ayushman Card)-এর জন্য আবেদন করতে পারেন।

ইতিমধ্যেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করতে ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির (এনএইচএ) সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্তাদের একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমার (Health Insurance) সুবিধা পাবে রাজ্যবাসী। ২০২৪-২৫ সালের আপডেট অনুযায়ী, ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী দেশের সমস্ত প্রবীণ নাগরিক এই সুবিধার আওতায় আসবেন। এক্ষেত্রে তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন, তারা আলাদাভাবে ৫ লক্ষ টাকার কভারেজ পাবেন। 

কারা এই সুবিধা পাবেন না

  • যাদের নিজস্ব পাকা বাড়ি আছে।
  • যাদের বাড়িতে টু-হুইলার, থ্রি-হুইলার বা ফোর-হুইলার (গাড়ি) আছে।
  • সরকারি চাকরিজীবী বা মাসে ১০,০০০ টাকার বেশি আয় করেন এমন পরিবার।
  • যাদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের লিমিট ৫০,০০০ টাকার উপরে।
  • যারা আয়কর (Income Tax) জমা দেন।