নদিয়া: ৩ দিনের মধ্যে 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি' বা 'তথ্য়গত অসঙ্গতি'র তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। ভোটারের অনুমতি সাপেক্ষে BLA-ও ঢুকতে পারবেন শুনানি কেন্দ্রে। SIR মামলায় এই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে এই ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে শাসকদল। নদিয়ার সভাতে গিয়ে ঝাঁল মেটালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বললেন, 'সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ভুল ব্যাখ্যা তৃণমূলের। SIR-হয়রানির জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।'

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, "গালে নয়, জোড়াফুলে জোড়া থাপ্পড় পড়বে..", সুপ্রিম কোর্টের SIR নির্দেশে অভিষেকের প্রতিক্রিয়ার পাল্টা শমীক-অধীর

Continues below advertisement

"SIR-হয়রানির জন্য দায়ী মমতা, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ভুল ব্যাখ্যা তৃণমূলের.." 

এদিন শুভেন্দু বলেন, 'সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, তাঁদের....এই যে নামের ভুল, এর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী। তিনি কেন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর দেননি ? বিহার সরকার যেখানে দিয়েছে, দায়ী তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হয়রানি করছে। করে বাজার মাতাচ্ছে। গোটা রাজ্যে চাকরি নেই, শিল্প নেই, গোটা রাজ্যটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ধ্বংস করার পরে যাতে মানুষকে ইলেকশন কমিশন বিজেপির বিরুদ্ধে বলতে পারে, সেই জন্য, একটা ডাটা এন্ট্রি অপারেটর না দিয়ে, লোকের কাছে ....লোক অত বোকা নয়। "

হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

এদিন তিনি নদিয়ার সভায় বলেন, 'বেলডাঙাতে ৫ কোম্পানি প্যারা মিলিটারি ফোর্স মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। মুর্শিদাবাদ জেলায় লাগাতার জামাতিদের আন্দোলনের নামে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলেছে।'আমার আবেদনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত কলকাতা হাইকোর্টের, দাবি বিরোধী দলনেতার।তিনি বলেন, 'ধুলিয়ান-সামশেরগঞ্জে নারকীয় ঘটনা, ১৯৪৭ সালের পর হিন্দু নিধন দেখেছিলাম। হরগোবিন্দ দাস ও গোবিন্দ দাসকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গোটা প্রশাসন-পুলিশকে জামাতিকরণ করা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডে মৃত্যুকে ঘিরে পরপর দুদিন ট্রেন-বাস পোড়ানো হয়েছে, বিপদগ্রস্ত হিন্দুদের পাশে দাঁড়ানো কর্তব্য।'

২০২৬ সালে ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গ হিন্দু শূন্য হবে

আরও অভিযোগ তুলে শুভেন্দুর সংযোজন, '২০১১ সালে এসে টাটাকে তাড়িয়েছে, ২০১৬ সালে চাকরি বিক্রি করেছে, ২০২৬ সালে ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গ হিন্দু শূন্য হবে। ওপারে মহম্মদ ইউনূস যা করছে, এপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাই করছেন। ওপারে দীপু দাসকে খুন, এপারে হরগোবিন্দ দাসকে কুপিয়ে খুন। সকলের আওয়াজ হওয়া উচিত আর উদ্বাস্তু হবো না। হিন্দুদের দুর্দশার কথা ভেবে সিএএ নিয়ে এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন এনেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।'