কলকাতা: রাজ্য সরকারি দফতরের Group C ও Group D কর্মীদের ক্ল্যারিক্যাল ক্যাডারে পদোন্নতি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের। পরীক্ষা না দিয়ে বা ভুল নিয়মে ছাড় পেয়ে লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক বা আপার ডিভিশন ক্লার্ক পদে উন্নীত। মানবিকতার খাতিরে তাঁদের চাকরি বা প্রমোশন বাতিল করবে না রাজ্য সরকার, তবে চাপানো হয়েছে শর্ত। অর্থ দফতরের অডিট ব্রাঞ্চ থেকে জারি নির্দেশ। চাকরি বাঁচলেও ওই কর্মীদের পাস করতেই হবে নির্ধারিত পরীক্ষা।                                                               এবার থেকে কম্পিউটার ও টাইপিং পরীক্ষা পাস বাধ্যতামূলক। পরীক্ষা পাস না করা পর্যন্ত ইনক্রিমেন্ট বন্ধ থাকবে এবং সিনিয়রিটিও পরে নির্ধারিত হবে। তবে ২০১৯ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে দেওয়া পদোন্নতি বাতিল নয়। বহাল থাকবে বর্তমান পদ ও বেতন।                                                         

Continues below advertisement

২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি থেকে পশ্চিমবঙ্গে 'West Bengal Services (Recruitment to Clerical Cadre) Rules, 2019' কার্যকর হয়। এই নতুন নিয়ম চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ৫০ বছর বয়স পার হলে কম্পিউটার অপারেশন ও টাইপিং পরীক্ষায় ছাড় পাওয়ার পুরনো সমস্ত শিথিলতা কার্যত বাতিল হয়ে যায়।

আরও পড়ুন, অন্নপূর্ণা যোজনায় বাতিল আবেদনেও নতুন আশা? টাকা পাওয়া যেতে পারে? স্টেটাস বদলালে কীভাবে বুঝবেন?

Continues below advertisement

কিন্তু সরকারের নজরে এসেছে, ২০১৯ সালের পর বহু দফতরে অনেক কর্মীকে পরীক্ষা ছাড়াই ভুলভাবে ছাড় দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের এলডিসি (LDC) বা ইউডিসি (UDC) পদে প্রমোশন দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতেই নবান্ন এই নতুন গাইডলাইন জারি করল।

এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে সরকারের আর্থিক দুর্নীতি খুঁজতে শ্বেতপত্র প্রকাশে বৈঠক হল নবান্নে। নবান্নে বিশেষ মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠক হয় এদিন। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, শিল্প-বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় ও পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ সহ আরও মন্ত্রীরা। শ্বেতপত্র প্রকাশ নিয়ে বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে আলোচনা, চাওয়া হয়েছে নথি, এমনটাই খবর সূত্রে।