কলকাতা : তারাতলাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার এই ঘটনার তদন্ত গঠন করা হয়েছে এসআইটি অর্থাৎ স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম। গ্রেফতার সুপারভাইজার সৈয়দ মহম্মদ গুলজার, গ্রেফতার লেবার সাপ্লায়ার মহম্মদ আতাউল ও সুভাষ চৌধুরী। মূল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, তাঁদেরও গ্রেফতার করা হবে, পুলিশ সূত্রে খবর। মূল মাথাদের খোঁজ চলছে।
১৮ জন ভর্তি এসএসকেএম হাসপাতালে। তাঁদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি রাখা হয়েছে। তাঁদের মাথায় এবং বুকে চোট রয়েছে বলে খবর। একজনের পাঁজরের একাধিক হাড় ভেঙে গিয়েছে বলে খবর। এই ২ রোগীর স্থিতিশীলতা ফেরানোর চেষ্টা করছেন চিকিৎসকরা। বাকি ১৬ জন বিপদমুক্ত বলে খবর হাসপাতাল সূত্রে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এফআইআর দায়ের হওয়ার পরই তদন্তে তৎপর পুলিশ। যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরাই এই গোডাউন নির্মাণের দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখভাল করতেন। তবে তদন্তকারী আধিকারিকরা মনে করছেন, এখানেই শেষ নয়। গোটা ঘটনায় অনেক বড় মাথা যুক্ত থাকার সন্দেহ করা হচ্ছে। এই মাথাদের খোঁজ ইতিমধ্যেই শুরু করেছে পুলিশ। তারাতলার দুর্ঘটনার প্রায় ১০ ঘণ্টা হতে চলেছে। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ। অন্যদিকে, পুলিশ সূত্রে খবর, এই গোডাউন নির্মাণের কাজ যে সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল বা যাঁদের কাজ দেওয়া হয়েছিল তাঁদের মধ্যে যাঁরা এই নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাঁদের পরবর্তীতে গ্রেফতার করা হতে পারে তদন্তের স্বার্থে। যিনি লিজ নিয়েছেন, যিনি নির্মাণ করছিলেন তাঁরা ছাড়াও এই গোটা কর্মকাণ্ডে আরও অনেক বড় মাথা যুক্ত থাকতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের।
ত্রুটিপূর্ণ ফাইল কোন অফিসাররা সই করলেন? কীভাবে এই প্ল্যান অনুমোদন পেল? সবই খতিয়ে দেখা হবে। অনেক প্রভাবশালীও এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন বলে অনুমান তদন্তকারীদের। প্রাথমিকভাবে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত এগোলে বাকি জড়িতদের নাম প্রকাশ্যে আসবে বলে অনুমান তদন্তকারী আধিকারিকদের। তারাতলায় 'তাসের ঘর'! নির্মীয়মাণ গোডাউন ভেঙে মৃত ৫ জন। নির্মীয়মাণ গোডাউন ভেঙে মৃত ৫ জন। ধ্বংসস্তূপে আটকে অনেকে, টানা চলছে উদ্ধার কাজ। আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে জল-অক্সিজেন।
