সমীরণ পাল,  কলকাতা : দেগঙ্গায় রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর ও লুঠপাটের ঘটনায় তিনজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করল দেগঙ্গা থানা। তোলাবাজির টাকা না পেয়ে রেস্তোরাঁয়া ঢুকে মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। গত ৪ নভেম্বর , দেগঙ্গায় ক্যাফেতে তোলাবাজির অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন ক্যাফের ম্য়ানেজার। দেগঙ্গা থানায় অভিযোগ দায়ের জানান  ক্যাফে মালিক। অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপি দাবি করে , ক্যাফে সংলগ্ন গেস্ট হাউসে মধুচক্র চলছিল।   যদিওসেদিন সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ধরা পড়েছিল চাঞ্চল্যকর ছবি।সিসি ক্য়ামেরার ফুটেজে দেখা যায়, বিজেপি নেতা ক্যাশ কাউন্টার থেকে টাকা বের করে নিয়ে যাচ্ছেন এবং হোটেলের ম্য়ানেজারকে বেধড়ক মারধর করা হচ্ছে। সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখে গ্রেফতার করা হয় তিন বিজেপি কর্মীকে। আরেকটা সিসি ক্য়ামেরার ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ড্রয়ার খুলে টাকা বের করে নিচ্ছেন দেগঙ্গা তিন নম্বর মণ্ডলের বিজেপির সম্পাদক বিকাশ দাস। অভিযোগ, তোলাবাজির টাকা না পেয়ে ক্য়াফেতে ঢুকে মারধর ও ভাঙচুর করেন বিজেপি নেতাদের একাংশ।   দশমীর দিন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ অভিযোগ তোলে, 'Eco Cafe'-র ওপরের অংশে থাকা 'Lake Palace' নামক গেস্ট হাউসে দীর্ঘদিন ধরে চলছে মধুচক্রের কারবার। অভিযোগ, এরপর ক্য়াফেতে ঢুকে ভাঙচুর চালানো হয়। এই ঘটনার পর কয়েকদিন বন্ধ রাখা হয় ক্য়াফে। কয়েকদিন আগে ফের তা খোলা হয়।

Continues below advertisement

সম্প্রতি তোলাবাজির প্রতিবাদ করে বিজেপি কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন ডেবরার বিজেপি বিধায়ক। তারপর এবার তোলাবাজির অভিযোগ উঠল দেগঙ্গার বিজেপি নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধে।   

আরও পড়ুন : আজ ধনতেরস, ঠিক আগে কত হল সোনা-রুপোর দাম? আজ কোন সময় কেনাকাটির জন্য শুভ?

Continues below advertisement

মাস খানেক আগে, পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ে সরকারি আধিকারিককে মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় বিজেপি কর্মী শান্তনু মিশ্রকে। সবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সরকারি আধিকারিক তপনকুমার শিট। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা এখনও কেন মেলেনি, সেই প্রশ্ন নিয়ে ক্ষোভের জেরেই সরকারি আধিকারিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।  

এছাড়াও গত মাসেই কলকাতায়  ব্যাঙ্কশাল আদালত চত্বরে আইনজীবীদের একাংশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় বিজেপি নেতা কুশল পাণ্ডে-কে। যার জেরে   লালবাজার অভিযানও স্থগিত রাখা হয় আইনজীবীদের তরফে। অবশেষে ওঠে কর্মবিরতি।