কলকাতা: ভোটে ভরাডুবির পর, কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে তৃণমূল। দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ-বিক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তৃণমূলের ছোট-বড় নেতারা। এবার সেই পথে হাঁটলেন দক্ষিণ কলকাতার ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। তাঁর গলাতেও শোনা গেল বিদ্রোহের সুর। এমনকী নিজের কেন্দ্রের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককেও ছেড়ে কথা বললেন না তিনি। বিধানসভা ভোটে মহা বিপর্যয়ের পর কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে তৃণমূল। দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন নেতারা। এই তালিকায় নবতম সংযোজন , দক্ষিণ কলকাতার ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। দলের শোচনীয় পরাজয়ের পর, বিদ্রোহের সুর শোনা গেছে তাঁর গলাতেও, দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিশানা করলেন তিনিও।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, মমতা নিয়ে এবার বিস্ফোরক তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা, বললেন 'ভয় পাই নাকি' ! কলকাতা পুরসভার ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। যা রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এই কেন্দ্রেরই প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারকেও ছেড়ে কথা বলেননি তিনি। তৃণমূল কাউন্সিলর ও বরো চেয়ারম্যান জুঁই বিশ্বাস বলেন, এখানে ৪ তারিখের পর থেকে বিধায়ককে পাশে পাইনি। (ওর বিধায়ক হল দেবাশিস কুমার।) আমাকে বিভিন্ন উদ্দেশে ডাকা হত না। তৃণমূল আমলে, টালিগঞ্জে বিশ্বাস ব্রাদার্সের একাধিপত্যের অভিযোগ উঠেছে বারবার। এর মধ্য়ে একজন টালিগঞ্জের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অরূপ বিশ্বাস। আরেকজন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। স্বরূপ বিশ্বাসের স্ত্রী জুঁই বিশ্বাস।

Continues below advertisement

যদিও, সেই সম্পর্কে পাকাপাকি ছেদ টানবেন বলে জানিয়েছেন জুঁই বিশ্বাস। জুঁই বিশ্বাস বলেন, অরূপ স্বরূপ কী করতেন আমি জানি না। আমি ওখানে নির্দিষ্ট কাজে যেতাম। আর আমি স্বরূপের থেকে সেপারেশনে আছি। কী কারণে সেটা বলতে পারব না। এই বছরের স্বরূপের থেকে আলাদা আছি। এটা কোনও সম্পত্তিগত কারণ বা এরকম কিছু না।' তৃণমূল কাউন্সিলর ও বরো চেয়ারপার্সন জুঁই বিশ্বাস বলেন, বরো চেয়ারপার্সন হওয়ার ১ বছর পর থেকে আমাকে অকারণে বিভিন্ন প্রোগ্রামগুলোতে ডাকা হত না। কাউন্সিলরদের জিজ্ঞেস করছি সে বলছে যে আমাদের ওপরে চাপ ছিল।

প্রশ্ন: কে চাপ দিল?

তৃণমূল কাউন্সিলর ও বরো চেয়ারপার্সন জুঁই বিশ্বাস: সেটা ওঁরাই বলতে পারবেন। আমি অভিষেকের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছি বহুবার। কিন্তু আমার মনে হয় ও সময় করতে পারেনি। আর দিদির কাছে পৌঁছনো তো আমাদের সম্ভবই ছিল না। উনি সবসময় নির্দিষ্ট কয়েকজন সাংসদ, বিধায়ক ও IAS, IPS-এর মাধ্যমে বেষ্টিত থাকতেন।