অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সি ও বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ ও তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীর হয়ে হাইকোর্টে সওয়াল করেছেন আইনজীবী তথা সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। এই আবহে, এবার নাম না করে এক্স হ্যান্ডেলে বিঁধলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজেকে বারবার সোচ্চার কণ্ঠস্বর হিসেবে তুলে ধরা এক প্রবীণ আইনজীবীকেই এবার দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ও তাঁর স্বামীর পক্ষে আদালতে সওয়াল করতে। তিনি লিখেছেন, একদিকে ওই প্রবীণ আইনজীবী আদালতে দাবি করছেন, ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক দুর্নীতির মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন। অন্যদিকে, ওই একই ব্যক্তি আবার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পক্ষেও দাঁড়াচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ওই প্রবীণ আইনজীবীর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান বাছাই করা? প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বিজেপি ও সিপিএম-এর মধ্যে কোনও সমঝোতা তৈরি হয়েছে? নাকি রাজনৈতিক অবস্থান ও আইনি লড়াই এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন সমীকরণে পরিচালিত হচ্ছে? অন্যদিকে, সিপিএম নেতাকে বিঁধতে গিয়ে ঘুরিয়ে নিজের দলেরই প্রাক্তন বিধায়কের উদ্দেশে তীর্যক মন্তব্য করলেন তিনি?
গ্রেফতার বরানগরের TMC নেতা শঙ্কর রাউত সহ ৪ জন, তোলাবাজি-মারধরের অভিযোগ
বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে দেবরাজ ও অদিতির হয়ে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। আদালত জানিয়েছে, ১৯ জুন পর্যন্ত পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করতে পারবে না। অভিযোগ উঠেছে যে গত ৫ বছরে এই দম্পতির আয় প্রায় ১ কোটি টাকা হলেও, তাঁরা ৬০-৭০ লক্ষ টাকা দামের গাড়ি কিনেছেন এবং তাঁদের অবৈধ সম্পত্তির পরিমাণ ১০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। এই মামলাটিকে কেন্দ্র করে তৃণমূল এবং বিরোধীদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়েছে।
এবার গ্রেফতার দেবরাজ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলর
ধৃত বিধাননগর পুরনিগমের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সম্রাট বড়ুয়া। বিধাননগর পুরসভার দাপুটে মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ তিনি। তোলাবাজি, হুমকি সহ নানা অভিযোগে তাঁকে গতকাল রাতে গ্রেফতার করে বাগুইহাটি থানার পুলিশ।
