কলকাতা: গরহাজির তৃণমূল কাউন্সিলররা, কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সনের বৈঠক বাতিল। তৃণমূল ভবনে বৈঠক ডাকেন কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়। সূত্রের খবর, বৈঠকে বেশিরভাগ কাউন্সিলর না যাওয়ায় বাতিল বৈঠক । বৈঠকে যেতে চাননি বেশিরভাগ তৃণমূল কাউন্সিলরই, খবর এধরনের বৈঠকে ডাকলে যাব না, জানিয়েছিলাম আগেই, দাবি ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরের। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বৈঠকে গরহাজির ১১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর। যোগাযোগের চেষ্টা হলেও প্রতিক্রিয়া মেলেনি মালা রায়ের।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, “একমাসের মধ্যেই..”, গুরুত্বপূর্ণ বার্তা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

Continues below advertisement

এখন কোন পথে এগোবে ছোট লালবাড়ির ভবিষ্যৎ? ভেঙে দেওয়া হবে পুরনো পুর-বোর্ড? কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার? নাকি, 'ঋতব্রত মডেল' দেখা যাবে কলকাতা পুরসভাতেও? কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর ও পদত্যাগী মেয়র পারিষদ  তারক সিং বলেন, এই যে একটা ব্লক হয়েছে তৃণমূলের থেকে, যদি এরকম কোন ব্লক তারা গিয়ে দাবি করতে পারে যে আমরা নতুন করে মেয়র চাই, আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। আমাদের পাঁচ বছর চালানোর কথা, পাঁচ বছর পূর্ণ হয়নি। তারা দাবি করতেই পারে। ফিরহাদ হাকিমের মেয়র পদ থেকে ইস্তফার দিনই কলকাতা পুরসভাকে নোটিস ধরিয়েছে রাজ্য সরকারের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর।পুর-নগরোন্নয়ন দফতরের পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে,রাজ্যপাল কলকাতা পুরসভাকে ৩ দিন সময় দিয়েছেন নিজেদের বক্তব্য জানানোর জন্য। পুরসভাকে ব্যাখ্যা করতে হবে কেন পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না?  তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর ও মেয়র পারিষদ বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা তো কলকাতা পুর আইনের, ১৯৮০-এর যে পুর আইন, সেই অনুযায়ী তো আমরা চলব। তাতে আমার মনে হয়েছে এই নোটিসটা দেখে, এটা একটা ভিত্তিহীন, অসত্য একটা নোটিস, যেখানে কোনও ব্যাখ্যা করা হয়নি, গ্রাউন্ডস দেওয়া হয়নি। আপনি আমাকে যদি অযোগ্য বলেন, অযোগ্য বলতে গেলে আপনাকে বলতে হবে কী গ্রাউন্ডে আপনি বলছেন অযোগ্য।’ পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ, আমার ধারনা ভবিষ্যতে প্রশাসক বসতে চলেছে পুরসভায়। তৃণমূলও তো এখন ভিত্তিহীন। কোন তৃণমূল বলছে? ঋতব্রত তৃণমূল না ভাইপো তৃণমূল না মমতা তৃণমূল? এখন তো তৃণমূল যাঁরা করত সবাই Fool হয়ে গেছে। '

 কলকাতা পুরসভা আইনজীবী ও প্রাক্তন মেয়র  বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, প্রশাসক নিয়োগ করতে পারেন। সরকারের যিনি মন্ত্রী আছেন তিনি চালাতে পারেন।  যিনি মেয়র তিনি যদি পুরমন্ত্রী হতে পারেন,  তাহলে মেয়র না থাকলে পুরমন্ত্রী কাজ করতে পারেন। ‘ বৃহস্পতিবার, বিধাননগরের মেয়র পদে ইস্তফা দিয়েছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। তাঁর পদত্যাগের ২ দিনের মাথায় বিধাননগর পুরসভায় প্রশাসক হিসাবে পুর-কমিশনারকে নিয়োগ করল রাজ্য সরকার। আগামী ৬মাস বিধাননগরের পুর কমিশনার রবি আগরওয়াল প্রশাসকের দায়িত্ব সামলাবেন।