কলকাতা: বিজয়গড়ে প্রাক্তন বিধায়ক দেবব্রত মজুমদারের বাড়িতে হামলার অভিযোগ। এ ছাড়াও অভিযোগ ভাঙচুর করা হয়েছে। যাদবপুরের প্রাক্তন বিধায়কের দাবি বহিরাগতদের আক্রমণেই এই হামলা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ প্রায় ১০০ জনের মতো বহিরাগত এসেছিলেন। তাঁরাই হামলা চালিয়েছে প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: সেপ্টেম্বরের শেষে টানা ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, গ্রাহকদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল SBI

প্রাক্তন বিধায়ক দেবব্রত মজুমদার বলেন, "৮ টা নগদ আসে। ১০০ জনের মতো লোক ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে পার্টি অফিস ভাঙতে ভাঙতে আমাদের শ্যামা কলোনি, আনন্দপল্লি পরে বাঘাযতীন। আমি একটা জায়গায় বসে আড্ডা মারি, সেই জায়গাটা ভেঙেছে। এই করতে করতে গিয়েছে। একটা আধটা ছেলেকে সিসিটিভিতে দেখে চেনা মনে হয়েছে। সব বাইরেরই দুষ্কৃতী। প্রশাসনকে দেখতে হবে। আমি দেখেছি একশো - দেড়শো ছেলে এসেছে। আর তারা অর্গানাইজড, জিনিসপত্র সব নিয়ে এসেছে।"

Continues below advertisement

বাঘাযতীনে তৃণমূল কার্যালয়ে হামলা হল। তছনছ করে দেওয়া হয়েছে পার্টি অফিস। পড়ে রয়েছে পতাকা। ভেঙে ফেলা হয়েছে শহিদ বেদি। একই সঙ্গে উত্তেজনা ছড়িয়েছে যাদবপুরের আনন্দপল্লিতে। সেখানে তৃণমূলের পার্টি অফিসের পতাকা ছেঁড়া হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে সিপিএমের শহিদ বেদি।

আরও পড়ুন: গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী, চার্জশিটে 'পলাতক' দাবি পুলিশের! বিচারকের প্রশ্ন, "১৯ বছর পর ঘুম ভাঙল?"

সিপিএম রাজ্য কমিটির সদস্য সুদীপ সেনগুপ্ত হাতে মাইক নিয়ে কার্যত হুঁশিয়ারি দেন, "এলাকার বিজেপির নেতা ও কর্মী, যাঁরা প্রকৃতপক্ষে রাজনীতি করেন, তাঁদের কাছে আমরা অনুরোধ জানাতে এসেছি। আপনারা দয়া করে আপনাদের হুলিগানদের সংযত করুন। এই হুলিগানরা জানে না যাদবপুরের ঐতিহ্য কী। এই হুলিগানরা জানে না যাদবপুরের মাটি কী। যে প্রাক্তন বিধায়ক ও এই অঞ্চলের প্রাক্তন কাউন্সিলর, তাঁর বাড়িও তারা নাকি আক্রমণ করেছে। রাজনীতিগত ভাবে আমাদের পৃথক অবস্থান থাকলেও, আমি আবার বলছি, এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষজনকে এবং যদি বিজেপি কর্মী, নেতা কেউ আমাদের বক্তব্য শুনে থাকেন, আপনারা দয়া করে এই হুলিগানদের সংযত করুন।"

বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলছেন, "তৃণমূলের লোকেরা ভালভাবে জানে এটা ওদের দলীয় যে বিভাজন, তারই একটা নমুনা ছাড়া আর কিছু নয়। সিপিএম কিছু নয়, এই ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে। এদের কাজই এই। অতএব যা কিছু ঘটছে, এটা তৃণমূলের নিজেদের ঘরের ঝগড়া। প্রতীক হারিয়ে যাওয়া, দলের নাম হারিয়ে যাওয়া, তার ঝগড়া এই জায়গায় এসে পৌঁছেছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোথাও কোনও সংযোগ নেই। আমরা এই ঘটনার নিন্দা করছি, ধিক্কার জানাচ্ছি। পুলিশের কাছ আবেদন এই কিনারা হোক, যারা যুক্ত তাদের পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক।"