ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, অর্ণব মুখোপাধ্যায় ও সুজিত মণ্ডল,কলকাতা: যুদ্ধের জেরে চারদিকে এখন গ্যাসের হাহাকার। আর তার জেরে টালমাটাল রেস্তোরাঁ আর কেটারিংয়ের ব্যবসা। বিয়েবাড়িতে অবধি মেনু কাটছাঁট করতে হয়েছে। ফুড চেনের রাঘববোয়ালরা পর্যন্ত সমস্য়া থেকে ছাড় পাননি। যাঁদের বাড়িতে বিয়ে, তাঁরাও আতান্তরে। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'যুবসাথী' নিয়ে বড় বার্তা ! নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ? " কালকের মধ্যেই..."

Continues below advertisement

কেটারিং ব্যবসায়ীর সুরজিৎ দাস : এখানে গ্যাস থাকে ১৯ কেজি। আমরা নিই ওটা ১৬০০ টাকায়।

প্রশ্ন: এই মুহূর্তে ওটা কত টাকায় নিতে হচ্ছে?

কেটারিং ব্যবসায়ীর সুরজিৎ দাস : ওটা এখন ৪ হাজার, সাড়ে ৪ হাজার, ৫ হাজার কেউ কেউ।গ্যাস কেউ দিচ্ছেই না। ৫ হাজার টাকা দিতেও রাজি। কেটারিং ব্যবসায়ী   রাহুল বিশ্বাস বলেন, কাঠেই করতে হবে, আর কিছু করার নেই। গ্য়াসের আকালের জেরে ব্য়াপক চাপে পড়েছেন রেস্তোরাঁ এবং কেটারিং ব্যবসায়ারী। বিয়েবাড়ির মেনুতেও কাটছাঁট করতে হচ্ছে!কর্মাশিয়াল সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে ডোমেস্টিক সিলিন্ডার দিয়ে কাজ চালাতে হচ্ছে। কেটারিং কর্মী বলেন, এই ক'দিনে এত লোক আগে থেকে নিমন্ত্রিত ছিলেন। এই পরিস্থিতির মুখে আগে তো কোনওদিন পড়িনি। 

বড় রেস্তোরাঁ গ্রুপগুলিও সমস্য়ার মুখে!মেনল্যান্ড চায়না গ্রুপ কর্ণধার  অঞ্জন চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই মার্চ মাসে আমাদের অ্যাট লিস্ট ৫ থেকে ৬টা বিয়ে কমিটমেন্ট করা আছে। সেখানেও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা এখন এপ্রিল-মে মাসের বিয়ের জন্য নতুন কোনও বুকিং নিচ্ছি না। গ্যাসের আকালের মধ্য়ে যাঁদের বাড়িতে অনুষ্ঠান রয়েছে, তাঁরা পড়েছেন আতান্তরে!বরানগরের পাত্রর বাবা ও বাসিন্দা   দীপক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, এই পরিস্থিতি হবে, আমরা কোনওদিন ভাবিনি, গ্যাসের জন্য অন্তত। কেটারিং ব্যবসায়ী  রাহুল বিশ্বাস বলেন, আজকেরটা কোনওরকমে কুড়িয়ে, এদিক ওদিক করে চালিয়ে নিতে পেরেছি। কাল-পরশু কী করব এখন নিজেই বুঝতে পারছি না কিছু।সব মিলিয়ে সমস্য়া গভীর!