নয়া দিল্লি: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ফের ক্ষয়ক্ষতি উত্তরাখণ্ডে। উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে ফের ধস। প্রবল বৃষ্টিতে চামোলির নন্দনগড়ে ধস নেমেছে। এই ধস নেমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু বাড়ি। ভয়াবহ এই পরিস্থিতিতে বাড়ির মধ্যে আটকে পড়ে আছে ১০ জন। তাঁদের মধ্যে ২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে খোঁজ মেলেনি ৮ জনের। বর্তমানে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। 

চামোলির জেলাশাসক সন্দীপ তিওয়ারি বলেছেন, বুধবার রাতে চামোলি জেলার নন্দনগর ঘাট এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নন্দনগরের ওয়ার্ডে ৬টি বাড়ি ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে গেছে।                                   

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরও জানিয়েছেন, আটজন নিখোঁজ রয়েছেন, আর দু'জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। চামোলি জেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, জনসাধারণ আতঙ্কিত এবং ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারের জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতা চলছে কাজ।                        

চামোলি জেলার নন্দা নগরে বুধবার গভীর রাতে শুরু হয় মেঘভাঙা বৃষ্টি। রাতে হড়পা বান আসায় বিপর্যয় বেশি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। চার দিন আগেই টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল উত্তরাখণ্ড। দেরাদুন-সহ রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়। কোথাও কোথাও নদীর জলস্তর আচমকা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে হড়পা বান।         

এর আগে ৫ অগস্ট একসঙ্গে তিনটি গ্রামে হড়পা বান আসে। তার মধ্যে ছিল গঙ্গোত্রী থেকে ৩০০ কিলোমিটার নীচের ধরালি গ্রাম। সেখানে ক্ষীরগঙ্গা নদীতে আচমকাই এসেছিল হড়পা বান। তার জেরে কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে ধরালি গ্রাম। ধরালির বিপর্যয়ের ২-৩ মিনিটের মধ্যেই নীচের আরও দু'টি গ্রামে হড়পা বান আসে। এর মধ্যে ছিল হরসিল। সেখানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি বেস ক্যাম্প ভেসে গিয়েছিল।