সৌভিক মজুমদার, রুমা পাল, কলকাতা: আগামীকাল, অর্থাৎ শনিবার প্রকাশিত হতে চলেছে রাজ্যের ভোটার তালিকা। কিন্তু এখনও 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি'র আওতায় বহু নাম। জানা যাচ্ছে, এদের নথি পরীক্ষার কাজও বাকি রয়েছে! ইতিমধ্য়েই এ রাজ্য়ের বর্তমান ও প্রাক্তন বিচারকরা নথি পরীক্ষা করছেন। কাজ পাহাড় প্রমাণ, সময় অত্য়ন্ত কম, এই পরিস্থিতিতে জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘাটতি মেটাতে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে আনা হচ্ছে সিভিল জজদের। তাঁরাও 'SIR'-এর কাজ করবেন।

Continues below advertisement

শনিবার প্রকাশিত হতে চলেছে ভোটার তালিকা। কিন্তু এখনও 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি'র আওতায় বহু নাম রয়েছে। তাদের নথি পরীক্ষা বাকি রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো তাই এই প্রক্রিয়া চলবে! শনিবার ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরও নাম যুক্ত হতে থাকবে! ইতিমধ্য়েই এ রাজ্য়ের বর্তমান ও প্রাক্তন বিচারকরা নথি পরীক্ষা করছেন! কিন্তু কাজ পাহাড় প্রমাণ, সময় অত্য়ন্ত কম!এই পরিস্থিতিতে এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘাটতি মেটাতে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে আনা হচ্ছে সিভিল জজদের। তাঁরাও 'SIR'-এর কাজ করবেন।

স্পেশাল রোল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত বলছেন, 'মিটিং হল, ওঁরা বললেন ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা থেকে কিছু জজ আসতে পারেন। যদি জজেরা আসেন, তাদের জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করা হবে। তাদের জন্য ইউজার ID তৈরি, প্রশিক্ষণ সমস্ত ব্যবস্থা আমরা করব। সংখ্যাটা বলেনি, ওই ২০০-র কাছাকাছি বলছেন, কিন্তু আসল সংখ্যা ওঁরা পাবেন।'

Continues below advertisement

 শনিবার ভোটার তালিকা প্রকাশ। সূত্রের খবর, সেই তালিকায় তিনটি ক্যাটিগরি থাকছে। অ্যাপ্রুভড, ডিলিটেড ও বিচারাধীন। নতুন ভোটাররা যুক্ত হলে দেওয়া হবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। এরই মধ্যে এবার জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘাটতি মেটাতে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে আনা হচ্ছে সিভিল জজদের। শনিবার প্রকাশিত হতে চলেছে ভোটার তালিকা। কিন্তু এখনও 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি'র আওতায় বহু নাম রয়েছে। তাদের নথি পরীক্ষা বাকি রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো তাই এই প্রক্রিয়া চলবে! শনিবার ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরও নাম যুক্ত হতে থাকবে! ইতিমধ্য়েই এ রাজ্য়ের বর্তমান ও প্রাক্তন বিচারকরা নথি পরীক্ষা করছেন!কিন্তু কাজ পাহাড় প্রমাণ, সময় অত্য়ন্ত কম! এই পরিস্থিতিতে এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘাটতি মেটাতে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে আনা হচ্ছে সিভিল জজদের। তাঁরাও 'SIR'-এর কাজ করবেন।

প্রথমে ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ভোটার ছিল সেখান থেকে ৫৮ লক্ষ বাদ দিয়ে ৭ কোটি ৮ লাখ হয়েছে।  নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার যে তালিকা প্রকাশ হচ্ছে, ৭ কোটি ৮ লাখেরই নাম থাকছে। তার মধ্যে ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাগ করা থাকছে। যাঁদের নাম ভোটার হিসাবে ছাড়পত্র পেয়েছে, তাঁদের নামের পাশে লেখা থাকবে Approved... যাদের নাম বাদ যাচ্ছে, তাদের নামের পাশে ডিলিটেড লেখা থাকবে। আর যাঁরা এখন এই প্রায় ৬০ লক্ষ, যাদের নথি জুডিশিয়াল অফিসাররা চেক করছেন, তাদের নামের পাশে Under অ্যাজুডিকেশন লেখা থাকবে। এছাড়া, যারা নতুন ভোটার হিসেবে জয়েন করছেন, তাদের একটা পৃথক তালিকা সাপ্লিমেন্টারি হিসাবে ঢুকে যাবে এই তালিকার সঙ্গে।

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলছেন, 'যেটা খসড়া তালিকা ছিল ওই ফর্ম্যাটে থাকবে শুধু যত কেস বিচারাধীন আছে সেখানে লেখা হবে 'আন্ডার অ্যাজুডিকেশন' । যত কেস ডিলিট হয়ে গেছে, ওটা লেখা হবে 'ডিলিটেড'। বাকি সব একই থাকবে।'এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে ফের মুখ্যসচিব, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ একাধিক উচ্চ পদস্থ কর্তাকে নিয়ে বৈঠকে বসলেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। কাজ শুরুর প্রথম দিন কোথাও লগ ইন করতে সমস্যা আবার কোথাও কর্মপদ্ধতি নিয়ে সমস্যার মুখে পড়েছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। 

সেই সংক্রান্ত কোনও সমস্যা রয়েছে কিনা, নথি যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজ কতদূর এগলো, সূত্রের খবর সেসব নিয়েই পর্যালোচনা করা হয় বৈঠকে। শনিবার ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। কিন্তু প্রক্রিয়া এখানেই থামছে না। sir প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত যে তালিকা বার হবে সেগুলি নিয়েই নির্বাচন হবে।