কলকাতা: ১ জুনের বদলে ২৬ মে কেরলে বর্ষা ঢোকার সম্ভাবনা। তার আগেই  রাজ্যজুড়ে ঝড়-বৃষ্টি। মুষলধারে বৃষ্টি- ঝড়ের দাপটে গুমা-অশোকনগর রোড স্টেশনে ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয়। এদিন গুমা-অশোকনগর রোড স্টেশনে আপ-ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। 

Continues below advertisement

পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী কয়েকদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ ও অনুকূল আবহাওয়ার জেরে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।                                                   

আবহাওয়া দফতরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ১৭ মে আলিপুরদুয়ার জেলায় ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ ও ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।                            

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, মুষলধারে বৃষ্টি, মুহুর্মুহু বাজ, জেলায় জেলায় আরও দুর্যোগ-সঙ্কেত! হলুদ সতর্কতা জারি, কোথায় কোথায়?

১৮ মে জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে আবারও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ১৯ মে পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গেও ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে IMD। ১৫ মে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ১৬ মে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পুরুলিয়াতেও একই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।

আবহাওয়া দফতর সতর্ক করে জানিয়েছে, বজ্রপাতের সম্ভাবনা বিশেষ করে খোলা মাঠে বেশি থাকবে। ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধস নামতে পারে এবং দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলেও সমস্যা তৈরি হতে পারে। কৃষিক্ষেত্র ও বাগান ফসলেরও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।