কলকাতা: সদ্য চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ্যে এনেছে কমিশন। আর এবার চূড়ান্ত তালিকায় তৃণমূল নেতার নামে পাশে লেখা 'ডিলিটেড'! জামালপুরে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার নামের পাশে লেখা 'ডিলিটেড'। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁচে বন্ধ হরমুজ প্রণালী, "...কত ভারতীয় আটকে" ? বৈঠক কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রীর

Continues below advertisement

জামালপুর পঞ্চায়েতেরই উপ প্রধানের নাম বিবেচনাধীনের তালিকায়। ২ বারের পঞ্চায়েত সদস্যা রূপালি বিশ্বাস বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, অভিযোগ বিজেপির। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার পদ খারিজের দাবি বিজেপির। 'বিজেপির স্বার্থপূরণ করাটাই এখন যেন কমিশনের মুখ্য উদ্দেশ্য'। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের বিপদে ফেলার চক্রান্ত, পাল্টা দাবি তৃণমূলের।

নতুন ভোটার তালিকা নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ। কেউ বলছেন, শুনানিতে সমস্ত নথি দিয়েও তাঁর নাম জায়গা পেয়েছে নির্বাচন কমিশনের বাদের খাতায়। কারও মুখে আবার SIR প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্নচিহ্ন। কলকাতা থেকে অন্য জেলা, উঠে আসছে একই ধরনের ছবি।শনিবার প্রথম দফায় SIR-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।আর সেই তালিকা দেখে মাথায় হাত কসবার বাসিন্দা প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মীরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 267/2 বিবি চ্যাটার্জি রোডে এই দম্পতির বাড়ি। কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের দীর্ঘদিনের ভোটার প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মীরা বন্দ্যোপাধ্যায়। অথচ শনিবার প্রকাশিত ভোটার তালিকায় মীরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের পাশে রয়েছে বিবেচনাধীনের সিলমোহর।

প্রসঙ্গত, খোদ উলুবেড়িয়ার মাইক্রো অবজার্ভারের নাম SIR এর তালিকা থেকে ডিলিটেড।  অন্যদিকে কালনায় SIR এর তালিকা থেকে ডিলিটেড তৃণমূল কাউন্সিলরের নাম। রিষড়ায় আবার একই ওয়ার্ডে বিবেচনাধীন রয়েছে প্রায় ৬০০ জন ভোটারের নাম। প্রথম ধাপে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।এবার দেখা যায়, সেখানে খোদ নির্বাচন কমিশনের মাইক্রো অবজার্ভারের নামই 'ডিলিটেড'! পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বাসিন্দা রজত বন্দ্যোপাধ্যায়। জীবন বিমা নিগমের কর্মী। ৫ বছর ধরে কর্মরত রয়েছেন মালদায়। উলুবেরিয়া পূর্ব বিধানসভায় মাইক্রো অবজার্ভারের কাজ করেছেন। ডাক পড়েছিল শুনানিতে। জমা দিয়েছিলেন পাসপোর্ট, আই কার্ড। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় নামের পাশে লেখা 'ডিলিটেড'।

নাম বাদ যাওয়া মাইক্রো অবজার্ভার   রজত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'ক্লোজনি করেছিলাম দিদিমাকে। দিদিমার সাথে বয়সের পার্থক্য ৩৮ বছর। নির্বাচন কমিশন বলে কম করে ৪০ বছর হতে হবে আর এর ফলেই তাকে নোটিশ পাঠানো হয়।১৫ই জানুয়ারি হিয়ারিং হয় অনলাইনে হাজিরার দেন ও ডকুমেন্টস জমা দেন। পরে দেখা যায় ডিলিটেড।  'রিষড়া পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড। এই একটি ওয়ার্ডেই বিবেচনাধীন ৬০০-র বেশি ভোটারের নাম। একই পরিবারের কোনও সদস্যের নাম তালিকায় আছে, কারও নাম আবার তালিকায় নেই। এসব অভিযোগ ঘিরে, তালিকা প্রকাশের পরও SIR-বিতর্ক চলছেই।