কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের মসনদে কে? কোন ফুলে আস্থা রাজ্যবাসীর? গেম চেঞ্জার হবে SIR? শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্টডাউন। খড়্গপুর সদরে প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে গেলেন দিলীপ ঘোষ।
খড়্গপুর সদরে রীতিমতো গেরুয়া ঝড় প্রাথমিক ট্রেন্ডের পর থেকেই শুরু হয়েছে আনন্দ উৎসব বিজেপি কর্মীদের। এখানে ৫ আসনে লড়াই চলছে। প্রাথমিক ট্রেন্ডে দিলীপ ঘোষ এগিয়ে যেতেই কাউন্টিং কেন্দ্রের বাইরে শুরু হয় 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান। শুরু হয় মোদির নামে জয়ধ্বনিও।
ডাক দিয়ছিলে নরেন্দ্র মোদি। সাড়া দিল পশ্চিমবঙ্গবাসী। ভোটের ফল বুঝিয়ে দিল, পরিবর্তন ছিল দরকার। বিধানসভা ভোটে এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় জয়কার। আর বিজেপি যখন স্টার মার্কস পেয়ে উত্তীর্ণ, তখন বিধানসভা ভোটের পরীক্ষায় তখন এ যেন ডাহা ফেল তৃণমূল। মুখ থুবড়ে পড়ল খোদ মমতা বন্দোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের যাবতীয় ভবিষ্যদ্বাণী। ভবিষ্য়দ্বাণী মিলল তো না-ই। বরং বাস্তবে হল একেবারে উল্টো। বিজেপির আসন কমা দূরে থাক, ম্যাজিক ফিগার পার করে, সরকার গড়তে পারে বিজেপি।
বেলা বারোটার পর রাজ্যজুড়ে শুধুই গেরুয়া আবির আর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস।
শনিবার কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে লোডশেডিং নিয়ে বার্তা দিয়েছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। এরপরই, রবিবার উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্য়ালয়ের জলপাইগুড়ি ক্যাম্পাসে দেখা গিয়েছিল ট্রান্সফর্মার পাহারা দিচ্ছেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। এদিকে, সূত্রের খবর, বিজেপির তরফেও কাউন্টিং এজেন্টদের উদ্দেশে বলা হয়েছিল, উচ্ছ্বাসে বা আশঙ্কায় গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত টেবিল ছাড়া যাবে না।
সূত্রের খবর, শনিবার কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় বলেন,ঝান্ডার সঙ্গে ডান্ডা নিয়ে রাখবেন। ওরা যদি আমায় মারে, আমারও অধিকার আছে আত্মরক্ষার। সূত্রের খবর, বিজেপি নেতা কর্মীদেরও শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, গণনা কেন্দ্রের আশেপাশে কোথাও কোনও জমায়েত হলে দলীয় কর্মীদের পার্টি অফিসে প্রস্তুত থাকতে হবে।
