কলকাতা: ভোটের (Assembly Election) মুখে ED-র জালে। I-PAC-এর অন্যতম ডিরেক্টর গ্রেফতার। কয়লা পাচার মামলায় (Coal Scam Case) গ্রেফতার I-PAC ডিরেক্টর। দিল্লি থেকে ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করল ED। এর আগে ২ এপ্রিল ভিনেশ চান্ডেলের দিল্লির বাড়িতে তল্লাশি করা হয়েছিল। 

Continues below advertisement

পশ্চিমবঙ্গের কয়লা পাচার মামলায় গ্রেফতার হল সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর। বেআইনি লেনদেনের অভিযোগে গ্রেফতার। 'পশ্চিমবঙ্গে কয়লা পাচারের ২০ কোটি টাকা I-PAC-এ। পাচারের ২০ কোটি টাকা গিয়েছিল I-PAC-র কাছে'। সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই I-PAC-এর কর্তা গ্রেফতার, সূত্রের খবর।   

দিল্লির অফিসে হাজিরার সমন দেওয়া হয়েছিল ৩ কর্তাকে। প্রতীক জৈন, ঋষি রাজ সিং, ভিনেশ চান্ডেলকে ED-র নোটিস। ৩০ এপ্রিলের পরে হাজিরা দিতে চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে প্রতীক, ঋষি। সুপ্রিম কোর্টের মামলায় থাকায় যেতে পারেননি অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল। ১৭ এপ্রিল দিল্লি হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানি। 

Continues below advertisement

২ এপ্রিলে দিল্লিতে ভিনেশ, বেঙ্গালুরুতে ঋষি রাজের বাড়িতে তল্লাশি। ৮ জানুয়ারি কলকাতায় প্রতীক জৈনের বাড়ি-অফিসে ED-র অভিযান। 

সোমবারের ইডির এই গ্রেফতারির আগে, রবিবার খন্ডঘোষের সভা থেকে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শোনা গেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন, 'টেক কেয়ার বুদ্ধি খরচ করে কাজ করুন। আজকে মধ্যরাত থেকে অপারেশন শুরু হবে আমি শুনেছি। খবর আমরাও পাই।'

কয়লা পাচারের কোটি কোটি টাকা কোথায় গেল? তার উত্তর পেতে ৮ জানুয়ারি... সকালে দেশের ১০টি জায়গায় একযোগে তল্লাশিতে নামে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এর মধ্যেই ছিল তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা I PAC-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি ও সল্টলেক সেক্টর ফাইভে I PAC-এর অফিস!                           

প্রথমে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসে পৌঁছে যায় ED-র টিম। ED-র আরও একটি টিম পৌঁছে যায় লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে।  বহুতলের চারতলায় প্রতীক জৈনের ফ্ল্যাটে চলে তল্লাশি। তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে ঢুকে নথি নিয়ে বেরিয়ে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে চুরি, ডাকাতির মতো বিস্ফোরক অভিযোগ তোলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। ১৫ ই এপ্রিল, ফের রয়েছে এই মামলার শুনানি।