কলকাতা : মে বিপুল ভোটে জয় পেয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসে বিজেপি সরকার। শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসায় বিজেপি।  ৯ মে প্রথম দফায়  ৬ জন মন্ত্রী শপথ নেন। এই শপথ অনুষ্ঠানের ৩ সপ্তাহের মাথায় ফের বহরে বাড়ে শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভা। লোকভবনে গিয়ে শপথ নেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের বাকি ৩৫ জন সদস্য। তারপর ফেল  ১ জুন ৩৫ জন নতুন পূর্ণমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত), প্রতিমন্ত্রী, শপথ নেন। এখনও সেই সব মন্ত্রীর মধ্যে দফতর বণ্টন হয়নি। জল্পনা, আজ বুধবারই জানা যাবে রাজ্যের মন্ত্রিসভায় কার হাতে কোন দায়িত্ব থাকছে। এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিজের হাতে রেখেছেন। এছাড়া একাধিক দফতরের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামানিক, ক্ষুদিরাম টুডু, অশোক কীর্তনিয়া। এবার বাকি ৩৫ জনের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়ার পালা।                          

Continues below advertisement

জানা যাচ্ছে,  স্বরাষ্ট্র, আইন, বিদ্যুৎ, ভূমি সংস্কার দফতর থাকতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই। জল্পনা ,  রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের সম্ভাব্য অর্থমন্ত্রী হতে চলেছেন স্বপন দাশগুপ্ত। শিল্প দফতরের দায়িত্ব পেতে পারে তাপস রায়।  স্বাস্থ্য দফতর যেতে পারে শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের হাতে। পরিবহণ ও শ্রমমন্ত্রী হতে পারেন অর্জুন সিংহ।  পর্যটন দফতর সামলাবেন শঙ্কর ঘোষ। আরও কয়েকটি নামও উঠে আসছে। শিক্ষামন্ত্রী হতে পারেন দীপক বর্মন, উচ্চশিক্ষার দায়িত্ব পেতে পারে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। কৃষি দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন দুধকুমার মণ্ডল। বনমন্ত্রী হতে পারেন মনোজ ওঁরাও। 

 মুখ্যমন্ত্রী এখনও  পর্যন্ত নিজের হাতে রেখেছেন,  স্বরাষ্ট্র, অর্থ, দফতর। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং তথ্য ও সংস্কৃতি সহ গুরুত্বপূর্ণ একাধিক দফতর। মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ সামলাচ্ছেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং প্রাণিসম্পদ বিকাশের দায়িত্ব। মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল দেখছেন পুর ও নগরোন্নয়ন, নারী ও শিশু কল্যাণ দফতর। মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের দায়িত্বে আছেন। মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া খাদ্য ও সরবরাহ, সমবায় দফতরের দায়িত্বে। ক্ষুদিরাম টুডু অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী। শঙ্কর ঘোষ সামলাচ্ছেন উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ  দফতর।             

Continues below advertisement