কলকাতা: পার্টি অফিস দখল থেকে তোলাবাজি, এরকম অভিযোগ এলে, কর্মীদের রেয়াত করা হবে না। নালিশ এলেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে বরখাস্ত করা হবে। সূত্রের খবর, সাংগঠনিক বৈঠকে এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। পাশাপাশি, বেনোজল আটকাতেও তৎপর বিজেপি নেতারা।
বিজেপির স্বপ্নপূরণ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ এখন গেরুয়া-ময়। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মানুষের স্বার্থে পরপর নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিজেপি সরকার। অন্যদিকে, সংগঠন গোছানোর দিকেও নজর দিয়েছে তারা। শুক্রবার, রাজ্য় বিজেপির সাংগঠনিক নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন, এরাজ্য়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও দলের সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশল।
সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, পার্টি অফিস দখল থেকে তোলাবাজি, এরকম অভিযোগ এলে, কর্মীদের রেয়াত করা হবে না। অশান্তি যারা করছেন তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হবে। নালিশ এলেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে বরখাস্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন, 'অভয়াকাণ্ডে হেরো মুখ্যমন্ত্রীর কথায় প্রমাণ লোপাট'! কারা কারা ছিলেন? শুভেন্দু জানালেন...
পাশাপাশি, বৈঠক থেকেই ঘোষণা করা হয়েছে, শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিটা জেলায় তৈরি হবে বিশেষ কমিটি। পালাবদলের পর বেনোজল আটকাতেও তৎপর বিজেপি নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে অন্য রাজনৈতিক দল থেকে বিজেপিতে কোনওরকম যোগদান হবে না।
সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকেও সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে এ রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বের কাজের সমন্বয় নিয়েও এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়। সল্টলেকের হোটেলে এই বৈঠকে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সাংগঠনিক নেতা-নেত্রীরা ছাড়া বিজেপির ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উপস্থিত ছিলেন।
