কলকাতা: জন্ম নিয়ন্ত্রণ করে পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে পদক্ষেপের পথে রাজ্য? মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপের প্রস্তাব শমীক ভট্টাচার্যর। 

Continues below advertisement

'ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিবার পরিকল্পনা বাধ্যতামূলক করা যায় কিনা...। সরকারি প্রকল্প হিসেবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা যায় কিনা...। জন্ম নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে মহিলাদের উন্নয়ন করতে পারি কিনা... এনিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রী', এদিন এমনই প্রস্তাব বিজেপির রাজ্য সভাপতির। 

শমীক ভট্টাচার্যর দাবি, 'সুস্থ ও স্বাভাবিক সমাজে পরিবার পরিকল্পনা বাধ্যতামূলক করতে হবে। প্রয়োজনে ফ্ল্যাগশিপ প্রোজেক্ট তৈরি করে সরকারি প্রচারের মাধ্যমে জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে উদ্যোগ নিতে হবে। জমির উপর মানুষের চাপ কমাতে হবে। পরিবার পরিকল্পনা করে মহিলাদের বিকাশ ঘটাতে এবং শিক্ষা-আর্থসামাজিক বিকাশের দিকটিও মাথায় রাখতে হবে।' মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তিনি জন্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আবেদন করেন। তাঁর দাবি, এই মুহূর্তে এরাজ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণের যথেষ্ট প্রয়োজন।

Continues below advertisement

লক্ষ্য মহিলাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা। এবার সেই লক্ষ্যেই এবার ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী কিশোরীদের সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের বিনামূল্যে প্রতিষেধক দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে রাজ্যে সাড়ে চারশোর বেশি প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি কেন্দ্র গড়ে তুলতে কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। মহিলাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। ৩০ মে অর্থাৎ আগামী শনিবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হবে এই কর্মসূচি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের পর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'সার্ভাইক্য়াল ক্যান্সারের ভ্য়াকসিনেশন ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে চালু করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে ৭ লক্ষের বেশি ডোজ ভারত সরকার দিতে চায়, ১৪ থেকে ১৫ বছরের বোনেদের বা বালিকাদের, তাদের আমরা এটা দিতে পারি, যেটা ভারতের অন্যান্য রাজ্যে দেওয়া সম্পূর্ণ হয়ে গেছে, আগামী ৩০ মে পশ্চিমবঙ্গে এটা আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ করা হবে। বিধাননগর সাব ডিভিশন হাসপাতালে আমি নিজে এবং রাজ্য সরকারের অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে এটা শুরু করবেন'।

একটা সময় বলা হত, ক্যানসার হ্যাভ নো অ্যানসার! কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির ফলে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যায় এই রোগকে। তার পরেও সারভাইক্যাল ক্যানসার নিয়ে অনেকেই আতঙ্কে থাকেন। এবার প্রতিষেধক দেওয়ার ফলে সেই মারণ রোগ বহুগুণ এড়ানো যাবে মত চিকিৎসকদের।