কলকাতা : ক্ষমতায় এসে মহিলাদের ক্ষমতায়নে জোর বিজেপি সরকারের। অনলাইনেই করা যাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদন। শপথের পর বড় ঘোষণা করলেন পুর ও নারী-শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। 'অনলাইনে পোর্টালে গিয়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করতে হবে। পোর্টালে আবেদন করা অত্যন্ত সহজ হবে', বলে আশ্বাস দেন তিনি। আজই বিধায়ক পদে শপথ নেন অগ্নিমিত্রা পাল।
মন্ত্রী বলেন, "আমি শুনছিলাম যে, এতদিন তো দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে হয়েছে। কিন্তু, আমি আমার ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা বলে...আমি অলরেডি বলে দিয়েছি অন্নপূর্ণার ভাণ্ডারে অনলাইন কমপ্লিটটি এখনই ব্যবস্থা করতে। এখন থেকে অনলাইনেই যাতে সমস্ত মানুষ...যে ওয়ান পাশ, টু পাশ বা যে হয়তো শিক্ষাটা পাননি...শিক্ষিত নন, এতটাই সহজ করা হবে আবেদন করার এই পোর্টালটা, যে কেউ পোর্টালে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার...আমার প্রত্যেকটি বাংলার মা-বোনরা যাতে আবেদন করতে পারেন, আমরা সেই ব্যবস্থা করছি...এখনই।" Annapurnar Bhandar
আগের দিনই তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার কি সবাই পাবেন ? এর উত্তরে তিনি বলেছিলেন, "সবাই পাবেন। যারা যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছিলেন, সবাই অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার পাবেন। সবই ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারে হবে। কিন্তু দেওয়ার আগে, ১ জুন...মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ১ জুন থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে। কিন্তু, তার আগে আমরা একটা অ্যানালিসিস করতে চাই, যাদের যাদের নাম কাটা গেছে তাঁরা যদি কেউ পান তাহলে তো তাঁদের পাওয়ার কথা নয়। যিনি মারা গেছেন, তাঁর পাওয়ার কথা নয়। যিনি আমাদের দেশের নাগরিক নন, তাঁর পাওয়ার কথা নয়। সুতরাং সেই অ্যানালিসিসিটা হবে, যাদের যাদের নাম কাটা গেছে তাঁদের মধ্যে কতজন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। তাঁদের নাম বাদ যাবে।"
নতুন সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগে রাজ্যজুড়ে চর্চায় থাকত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। এই প্রকল্প এনে একাধিকবার ভোটে তার ডিভিডেন্ড পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন ভোটে এই প্রকল্প নিয়ে প্রচার চালিয়ে সাফল্যও পেয়েছে ঘাসফুল শিবির। শুধু তা-ই নয়, এই নিয়ে এবার বিধানসভা নির্বাচনেওে একের পর এক সভায় বার্তাও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সারাজীবন চলবে বলে মন্তব্য়ও করেন তৃণমূলনেত্রী। পাল্টা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের কথা বলে প্রচারে নেমেছিল বিজেপি। এবার থেকে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩ হাজার টাকা করে।
