Bulldozer Mission: জেলায় জেলায় অবৈধ নির্মাণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে চলছে বুলডোজার। নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সামনে একাধিক অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দিল প্রশাসন। হলদিয়াতেও বেআইনি উচ্ছেদ অভিযানে নামানো হয় বুলডোজার। দুর্গাপুর স্টিল প্লান্টের জমিতে অবৈধভাবে তৈরি তৃণমূলের পার্টি অফিস ভেঙে দেওয়া হয়। বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর থেকে অ্যাকশন মোডে রয়েছে প্রশাসন। শহর থেকে জেলায়- বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে একের পর এক বেআইনি নির্মাণ। নন্দীগ্রাম, হলদিয়া, পুরশুড়া, দুর্গাপুর, বহরমপুর - এই ৫ জায়গায় শনিবার চলেছে বুলডোজার অভিযান। 

Continues below advertisement

শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সামনে একাধিক অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরির পরই সেখানে দখলদারদের উৎপাত বাড়তে থাকে। এর ফলে সমস্যা দেখা দেয়, অ্যাম্বুল্যান্স ঢোকা বেরোনোর ক্ষেত্রে।নন্দীগ্রাম ১ পঞ্চায়ে সমিতির সভাপতি ও বিজেপি নেতা শ্যামলকুমার সাউ বলেছেন, 'এখানে সারাদিনে অন্তত ৫০টি অ্যাম্বুল্যান্স প্রবেশ করে, এদের দোকানে ভিড়ের জন্য রোগী মারা গেছে অনেক সময়ে। এদের বারে বারে নোটিস দেওয়ার পরেও এরা অবগত হননি।' 

জলের লাইন করা থেকে রাস্তা তৈরি, পুর-পরিষেবা দিতে কাটমানি খাওয়ার অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে 

Continues below advertisement

নন্দীগ্রামের পাশপাশি এদিন হলদিয়াতেও চলে দখলদার উচ্ছেদ অভিযান। নামানো হয় বুলডোজার। উচ্ছেদ অভিযানের আগে হলদিয়ার সিটি সেন্টারে চলে মাইকে প্রচার। ঘটনাস্থলে ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। HPL লিঙ্ক রোডে আদানি উইলমার কোম্পানির কাছে থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত চলে অভিযান। হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের সহযোগিতায় একের পর এক অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হয়। বেআইনি নির্মাণের পাশাপাশি বুলডোজার দিয়ে এদিন ভেঙে দেওয়া হয় চোলাই মদের ভাটিও। হুগলির পুরশুড়ার রাউতাড়া এলাকায় ভেঁঙে দেওয়া হয় একের পর এক ভাটি। নষ্ট করে দেওয়া হয় মদ তৈরির উপকরণ। বিমান ঘোষ, বিজেপি বিধায়ক, পুরশুড়া বলেছেন, 'পুলিশকে আমরা সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছি, যেটা আগের সরকার কোনওদিন করেনি, মদত দিয়ে গেছে, এবং সমাজকে শেষ করেছে। তো তারা তাদের কাজ করছে পুলিশ।' 

দুর্গাপুর স্টিল প্লান্টের জমিতে অবৈধভাবে গডে উঠেছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস। শনিবার সেটিও বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। কয়েকদিন আগেই গ্রেফতার হয় দুর্গাপুর ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি রাজীব ঘোষ, তিনি দুর্গাপুর পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর। তার কার্যালয় ভেঙে দেওয়া হল। প্রথমে হোর্ডিং ভাঙা, তারপরে কার্যালয় ভেঙে দেওয়া হয়, পুলিশ ও CISF মোতায়েন ছিল। রাস্তার ধারে সরকারি জমির উপর গড়ে উঠেছিল এই কার্যালয়। মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে অবৈধ দখলদারি তুলতে চলল বুলডোজার। অবৈধভাবে চারটি দোকান ও একটি নির্মিয়মাণ দোতলা ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। বহরমপুরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের লালদিঘি সংলগ্ন এলাকায় এফসিআই গোডাউনের পিছনে ও পাশে অবৈধভাবে তৈরি হয় এইসব ঘর ও দোকান।