WB News Live: প্রাক্তন বিধায়ক সওকত মোল্লার বাড়িতে ও কার্যালয়ে NIA-এর টিম
West Bengal News Live Updates: রাজ্য, জেলা ও আপনার শহরের যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ খবরের এক ঝলক এক ক্লিকেই আপনার হাতের নাগালে এখন---
ABP AnandaLast Updated: 04 Jun 2026 09:06 AM

প্রেক্ষাপট
দলেই প্রবল বিদ্রোহের জের। ভেঙে টুকরো-টুকরো হয়ে গেল তৃণমূল।ভোটের ফল বেরোনোর ১ মাসের মধ্য়ে ভেঙে খান খান তৃণমূল। নিজের দলেই 'ঘরছাড়া' হয়ে গেলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের হাতেও কিছু রইল...More
দলেই প্রবল বিদ্রোহের জের। ভেঙে টুকরো-টুকরো হয়ে গেল তৃণমূল।ভোটের ফল বেরোনোর ১ মাসের মধ্য়ে ভেঙে খান খান তৃণমূল। নিজের দলেই 'ঘরছাড়া' হয়ে গেলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের হাতেও কিছু রইল না। নতুন বিরোধী দলনেতা হলেন ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। বিধানসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক হলেন রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান।আরেক বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা হলেন ডেপুটি লিডার। এছাড়াও ডেপুটি লিডার হলেনজাভেদ খান, শিউলি সাহা ও সাবিনা ইয়াসমিন। অত্য়ন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে নবান্নে মুখ্য়মন্ত্রী শুভেনদু অধিকারীর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক। উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। বিধানসভায় আটান্ন জন বিদ্রোহী বিধায়কই পেলেন 'আসল' তৃণমূলের তকমা। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।)ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল আগেই। ভোটে ভরাডুবির পর চলেছে সলতে পাকানো। আর বুধবার বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের রাশ কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে বেরিয়ে গেল। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের তৃণমূলকে 'পরাজিত' করল 'আসল তৃণমূল'। ৫৮ জন বিধায়কের সই করা প্রস্তাবে বিরোধী দলনেতা হলেন তৃণমূল থেকে বহিষকৃত তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ডেপুটি লিডার আরেক বহিষকৃত বিধায়ক সন্দীপন সাহা। আমরা এই বিধানসভার অভ্য়ন্তরে সদর্থক এবং গঠনমূলক বিরোধীর ভূমিকা পালন করব। বললেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, কেশপুরের তৃণমূল বিধায়ক ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শিউলি সাহা বললেন, আমি মনে করেছি এই মুহূর্তে নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় তিনি আমাদের অ্য়াডভাইস করবেন। পাশাপাশি নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বললেন, যখন দেখি যে অন্য কেউ কারও হাতে দলটা চলে গেছে বা তাঁর নির্দেশিকায় আমাদের চলতে হচ্ছে তখন আমাদের এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্য়ায়ের সূচনা হল!বিধানসভা ভোটে মুসলিমদের সমর্থন হারিয়েছিলেন মমতা, এবার তাঁর হাত ছেড়ে বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখালেন তৃণমূলের টিকিটে জেতা অর্ধেক মুসলিম বিধায়ক।)ভোটে ভরাডুবির পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের কথা অগ্রাহ্য় করে তৃণমূলের সংখ্য়াগরিষ্ঠ বিধায়করাই গড়লেন 'আসল তৃণমূল'। সেই বিদ্রোহীদের তালিকায় রয়েছেন জাভেদ খান, অরূপ রায়, আখরুজ্জামান, সাবিনা ইয়াসমিন, গোলাম রাব্বানি, চন্দ্রনাথ সিন্হা, শিউলি সাহা, কাজল শেখের মতো বিধায়করা। মে মাসের তিন তারিখ অবধিও যে তৃণমূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন শেষ কথা, তাঁকে এখন নিছক পরামর্শদাতা হিসাবে দেখতে চাইছেন বিদ্রোহী বিধায়করা। এমনকী ২০১১ থেকে তৃণমূলকে ঢালাও ভোট দিয়ে এসেছে যে মুসলিমরা, এবার তারাও তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়েছে। আজ দেখা গেল তৃণমূল বিধায়কদের বড় অংশ বিরোধী দলনেতা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের পছন্দকে মানলেন না! ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মুসলিম বিধায়কের সংখ্য়া ৩৪ জন। বুধবার তার মধ্য়ে ১৭ জনই 'আসল তৃণমূল' হিসাবে নিজেদের দাবি করে, মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের উল্টো পথে হাঁটলেন। নবান্নে মুখ্য়মন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন মোট আঠাশজন জন তৃণমূল বিধায়ক। এদের মধ্য়ে চারজন মমতা-ঘনিষ্ঠ। তালিকায় রয়েছেন ববি হাকিম-কুণাল ঘোষ-নয়না বন্দ্য়োপাধ্য়ায়রা। অন্য়দিকে, দল ভাঙতেই, দলের সব কমিটি ভেঙে দিল মমতা-পন্থী তৃণমূল।)গতকাল যাঁরা ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে, আজ তাঁরাই পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেনদু অধিকারীর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে। তৃণমূলের জমানায় বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধি ছাড়াই প্রশাসনিক বৈঠক হত! সেই রীতির উল্টো পথে হেঁটে নতুন মুখ্য়মন্ত্রী শুরু থেকেই বিরোধী বিধায়ক-সাংসদদের বৈঠকে ডাকছেন। আজ কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়া জেলার প্রশাসনিক বৈঠক ছিল। কলকাতায় তৃণমূলের ৫ বিধায়কের মধ্যে ৪ জনই উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। সূত্রের খবর, এদিন বৈঠকে এলাকার কিছু সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি কুণাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে আর্জি জানান, বিরোধীদের কথাও যেন শোনা হয়। দিকে দিকে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারির প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেনদু অধিকারী তাঁকে বলেন, এত দিন তো ক্ষমতায় ছিল আপনার দল, কিন্তু বলতে পারেননি। সূত্রের খবর, নবান্নের বৈঠকে প্রথম সারিতে বসেছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁকে মেয়র সাহেব বলে সম্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কাল ধর্মতলায় মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ধর্নায় যোগ দেন ছজন বিধায়ক। কিন্তু আজ শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে ঢল নামল তৃণমূল বিধায়কদের! হাজির হলেন চব্বিশজন বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়ক।)তৃণমূলের রাশ মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের হাত থেকে বেরিয়ে গেছে। সেই ছবি আরও স্পষ্ট হল বুধবার।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে মঙ্গলবার ওয়াই চ্যানেলে হাজির ছিলেন মাত্র ৮ জন দলীয় বিধায়ক। সেখানে বুধবার শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির তৃণমূলের বিধায়কের সংখ্যা তার ৩ গুনেরও বেশি। মঙ্গলবার ধর্মতলায় মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ধর্নামঞ্চে দেখা যায় মাত্র ৮ জন বিধায়ক ও ৬ জন সাংসদকে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে তাঁর সঙ্গে থাকা ২৪ জন বিধায়ক যোগ দেন বলে জানিয়েছেন বহিষ্কৃততৃণমূল বিধায়ক ও বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকা চার তৃণমূল বিধায়কও। (ভোটে জেতার দিন, গত চৌঠা মে, শুভেন্দুঅধিকারী বলেছিলেন--'এ আর উঠে দাঁড়াতে পারবে না। তৃণমূল যাতে উঠে ঘাস না খেতে পারে, সে কাজটা আমি করব। সব দল থাকবে, তৃণমূলকে কোথাও, এর নাম-নিশান রাখতে দেব না। দু-হাজার এগারো থেকে MLA ভেঙেছেন তো, আপনাদের যেকটা জিতে এসেছে, কটা থাকে আমি দেখব।')(দু-হাজার তেরোর একুশে জুন, সিপিএম নেতা গৌতম দেব বলেছিলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য চালাতে পারবেন না, দলটাকেও চালাতে পারেবেন না। পার্টি ধ্বংস হবে, তার সব উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। ওই পার্টি ভাগ হবে।')(***বিধায়কদের সই জালিয়াতির অভিযোগ দিয়ে শুরু, শেষটা হল তৃণমূলের ভাঙন দিয়ে।)তাঁদের হাত ধরে সামনে এসেছে তৃণমূলের সই জালিয়াতি। নিজেদের বিধায়করাই পর্দা ফাঁস করেছে প্রাক্তন শাসকদলের। তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব তড়িঘড়ি তাঁদের বহিষ্কার করলেও, এবার সেই ঋতব্রত বন্দ্য়োপধ্য়ায় ও সন্দীপন সাহার হাত ধরেই, মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের হাতে গড়া তৃণমূল ভেঙে, তৈরি হল নতুন তৃণমূল। তৃণমূল যাঁকে বহিষ্কার করেছিল, সেই ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে সমর্থন করলেন তৃণমূলের ৫৮ জন বিধায়ক। আর ডেপুটি লিডার হলেন সন্দীপন সাহা।দলের নিয়ন্ত্রণ হারালেন, এবার কি জোড়াফুল প্রতীকও হাতছাড়া হতে চলেছে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের।)তৃণমূলের প্রতীক মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বেহাত হওয়া কি স্রেফ সময়ের অপেক্ষা? তৃণমূলের প্রতীকে জয়ী ৮০ জনের মধ্য়ে ৬০ জনই এখন বিদ্রোহী। বুধবার বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে তাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। এই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠছে, বিদ্রোহীদের এই 'আসল তৃণমূল' কি এবার 'ঘাসফুল'কে নিজেদের প্রতীক বলে দাবি করবে? এরকমও হতে পারে যে ভোট রাজনীতি থেকে ঘাস ফুল চিহ্নটি চিরতরে মুছে যাবে? মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় ও অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্য়ৎ নিয়ে এখন জোর জল্পনা! আর সেই সঙ্গে জোড়া ফুল প্রতীকের ভবিষ্য়ৎ নিয়েও প্রশ্নের শেষ নেই!*মহারাষ্ট্রের ক্ষেত্রে সরকার গঠনের জন্য় শিবসেনার একাংশের সমর্থন দরকার ছিল, কিন্তু বাংলায় তেমন পরিস্থিতি নয়। এখানে বিজেপি দুশো আটটা আসন পেয়েছে। তাই শিন্ডে-মডেলের তত্ত্ব পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে খাটে না।)দলেরই অন্দরে তৈরি হওয়া ক্ষোভের আগুনেই ছারখার হয়ে গেল তৃণমূল। অন্য় কোনও দলকে কিছু করতে হল না। বছরের পর বছর তৃণমূলের অন্দরে যে অসন্তোষের বারুদ জমছিল, তার বিস্ফোরণেই ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল দল। অনেকে অতি উৎসাহী হয়ে, একে মহারাষ্ট্রের শিন্ডে-মডেলের সঙ্গে তুলনা করছিলেন। কিনতু, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এরাজ্য়ে তৃণমূলের মধ্য়ে যা ঘটেছে, তার সঙ্গে মহারাষ্ট্রের শিন্ডে মডেলের কোনও মিলই নেই। কারণ শিবসেনায় যখন বিদ্রোহ হয়, তখন তারা মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায়। শিবসেনায় ভাঙনের ফলে সে রাজ্য়ে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছিল। একনাথ শিণ্ডের বিদ্রোহে মহারাষ্ট্রে বিজেপির লাভ হয়েছিল। এই রাজ্য়ে বিজেপি একাই ২০৮টি আসন পেয়েছে। ফলে তৃণমূলে কী হচ্ছে, তৃণমূল ভাঙছে না গড়ছে, তাদের তাতে কিচ্ছু যায় আসে না!দল টুকরো-টুকরো হওয়ার আবহে তৃণমূল ছাড়লেন বিশ্বজিৎ দেব, মুখ খুললেন স্নেহাশিস চক্রবর্তী, কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর মতো নেতারাও।)যত দিন যাচ্ছে তৃণমূলে ভাঙন তত চওড়া হচ্ছে! আজও তৃণমূলে বিদ্রোহের জন্য় অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে দায়ী করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক ও ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্য়ান কৃষ্ণেনদু নারায়ণ চৌধুরী। এর মধ্য়ে এবার দল ছাড়লেন তৃণমূলের রাজ্য কমিটির সদস্য বিশ্বজিৎ দেব! দুর্নীতি থেকে আরজি কর-কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে সরাসরি নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। রাজনীতি ছাড়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন আরেক তৃণমূল নেতা, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী!তিনিও দলের দুরবস্থার জন্য অভিষেককেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। একদিন যারা তৃণমূলের হয়ে ব্যাট ধরেছেন, তারাই এখন নিশানা করছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে।শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জয়প্রকাশ মজুমদার। পাশাপাশি, তোলাবাজি, দুর্নীতি-সহ একাধিক অভিযোগে দিকে-দিকে গ্রেফতার হচ্ছেন তৃণমূল নেতারা।)সল্টলেকে ভাড়ার ফ্ল্যাট জবরদখল করে রাখার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারকে। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, চুক্তির মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও সেই ফ্ল্যাট দখল করে রাখেন তিনি। আইনি নোটিস ধরিয়েও খালি করা যায়নি ঘর। উল্টে ফ্ল্যাট ছাড়ার কথা বললে, বুধবার গৃহকর্ত্রীর শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ ওঠে জয়প্রকাশ মজুমদারের বিরুদ্ধে। এরপরেই মহিলার নালিশের ভিত্তিতে তৃণমূলের হেভিওয়েটকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানা।অন্যদিকে গড়ফায় তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর অরিজিৎ দাস ঠাকুরকে। গতকাল গ্রেফতার হওয়া আরেক কাউন্সিলর সচিন সিংকে শিয়ালদা কোর্টে আনা হলে, তাঁকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয় 'চোর' স্লোগান, ছোড়া হয় ডিম।ফ্রিজ-সহ AC বেড রুম, অ্য়াটাচ বাথরুম, আগ্নেয়াস্ত্র এবং উইয়ে খাওয়া লক্ষ-লক্ষ টাকা। সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুম এবং ক্য়াম্পাসের ভেতরকার যে ছবি সামনে এসেছে, তা লজ্জার।)সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ২ ট্রলি ব্যাগ ভর্তি উইয়ে খাওয়া টাকা ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, কলেজের প্রাক্তন গভর্নিং বডির সদস্য তৃণমূল নেতা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভেন্ডর পরিতোষ দত্তর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ধারা সহ BNS-এর একাধিক ধারায় দায়ের হয়েছে মামলা। দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এলাকায় তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। দেবাশিসের ছেলে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় সুরেন্দ্রনাথ ল' কলেজেরই প্রাক্তনী। কলেজে TMCP-র GS-ও ছিলেন। অভিযোগ, কলেজের ঘর দখল করে মৌরসীপাট্টা চালাতেন তৃণমূল নেতা ও তাঁর দলবল। ঘরের চাবি চাইলে দেওয়া হত হুমকি, বিবৃতিতে জানাল পুলিশ। ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি তৃণমূল নেতার দাদার।
West Bengal News Live: নামখানায় এবার চায়ের দোকান থেকে উদ্ধার ভোটার ও আধার কার্ড
নামখানায় এবার চায়ের দোকান থেকে উদ্ধার ভোটার ও আধার কার্ড
উদ্ধার ৩৫ টি আধার কার্ড, ৯ টি ভোটার কার্ড, ৩৮ টি LIC-র বন্ড
উদ্ধার ২৬ টি ATM কার্ড ও ব্যাঙ্কের পাসবুক
এতগুলি গুরুত্বপূর্ণ নথি কীভাবে এল চায়ের দোকানে? তদন্তে পুলিশ